আজ বুধবার, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ১৮ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চন্দ্রায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ও যানবাহনের জটলা

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার চন্দ্রায় সৃষ্টি হয়েছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ও যানবাহনের জটলা। এর ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৮ কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনগুলো ধীরগতিতে চলছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চন্দ্রা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ঘরমুখী যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করে। দূরপাল্লার বাসগুলো মহাসড়কে যাত্রী ওঠা-নামা করতে গেলেই সৃষ্টি হচ্ছে জটলার।

সরেজমিনে দেখা গেছে, চন্দ্রা মোড় এলাকার শেষ প্রান্ত খাড়াজোড়ায় সড়কের ওপর যানবাহন থামিয়ে যাত্রী ওঠাচ্ছে পরিবহনগুলো। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর আনসার একাডেমি এলাকা থেকে চন্দ্রার উড়ালসড়ক পর্যন্ত মোট ৮ কিলোমিটার অংশে যানবাহন থেমে থেমে চলছে। এর ফলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা।

নাবিল পরিবহন বাসের চালক মুস্তফা মিয়া বলেন, পুরো সড়কে কোনো যানজট নেই। শুধু চন্দ্রা এলেই জ্যাম ঠেলতে হয়। এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করে তাহলে অনেকটা শৃঙ্খলার সঙ্গে বাসগুলো যাত্রী ওঠাতে পারে। তাহলে আর এই জ্যাম থাকে না। কয়েকজন যাত্রীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কের অন্যান্য স্থান ফাঁকা থাকলেও চন্দ্রা এলাকায় পৌঁছাতে গেলেই যানজটে পড়তে হচ্ছে তাদের। আর দেখা দিচ্ছে ভোগান্তি।

গাজীপুর রিজিয়নের নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাওগাতুল আলম বলেন, বেলা বাড়ার বাড়ার সঙ্ঘে সঙ্ঘে চন্দ্রা এলাকায় যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়। উত্তরাঞ্চলে প্রবেশের প্রধান সড়ক হওয়ায় চন্দ্রায় যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ বেশি। যেটুকু ধীরগতি আছে এটা কমন সমস্যা। বাসগুলো স্টেশনে থেমে যাত্রী ওঠাচ্ছে। যাত্রীরা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় কিছুটা জটলা রয়েছে। চন্দ্রা এলাকায় আমাদের তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য কাজ করছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর যাত্রীদের ভোগান্তি অনেক কম।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

- Advertisement -
- Advertisement -