আজ শনিবার, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য আসছে কৃষক কার্ড গোয়ালন্দে মতবিনিময় সভা

আরো খবর

 রুহুল আমিন:
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার চরাঞ্চলে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে “বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় মাঠ দিবস ও কৃষক কার্ড বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় গোয়ালন্দ উপজেলার চারটি চর এলাকায় কৃষির নিবিড়তা বৃদ্ধি ও শস্যের বহুমুখীকরণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চর অঞ্চলে ১৪টি ফসলের উৎপাদন বাড়াতে প্রদর্শনী স্থাপন, মাঠ দিবস আয়োজন, কৃষক প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সম্প্রসারণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের ফলে চরাঞ্চলের কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে এবং কৃষকদের মধ্যে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের আগ্রহ বাড়ছে।
এছাড়া কৃষকদের তথ্যভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করতে কৃষক কার্ড প্রবর্তনের লক্ষ্যে প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় তথ্য সংগ্রহের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপঁচা ব্লকের ( ৭, ৮ ও ৯)নং ওয়ার্ডের  কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।
জানা গেছে, সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে মাত্র ১০টি অনুরূপ ব্লকে পরীক্ষামূলকভাবে কৃষক কার্ড প্রণয়ন কার্যক্রম চালু রয়েছে। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের ১০টি জেলায় একযোগে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব  সাথী দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব কামরুল হাসান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্লা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজবাড়ীর উপপরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষি কমকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দারসহ কৃষি  বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা, ও কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম তিনি বলেন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চরাঞ্চলের কৃষিকে আরও উন্নত করা সম্ভব। কৃষক কার্ড চালু হলে কৃষকদের তথ্যভিত্তিক সেবা প্রদান সহজ হবে এবং সরকারি সহায়তা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।
আলোকিত প্রতিদিন / ১৪মার্চ ২০২৬ /মওম
- Advertisement -
- Advertisement -