আজ বৃহস্পতিবার, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মব জাস্টি*স নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার : মির্জা ফখরুল

আরো খবর

বিশেষ প্রতিনিধি: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মব জাস্টিস নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যতটুকু খারাপ ছিল, এটাকে ইমপ্রুভ করার চেষ্টা করতে হবে। বুধবার সচিবালয়ে সরকার গঠনের পর প্রথম কর্মদিবসে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছি আমরা। চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে দেশকে গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যিনি আমাদের এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তার প্রথম কথাটি ছিল বাংলাদেশের জন্য.. আই হ্যাভ এ প্ল্যান। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি তার মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। মন্ত্রিসভা তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে, বাংলাদেশের মানুষের সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করবে এবং বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে সামনের দিকে। ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র হলো আমাদের প্রধান উপাদান, যেটিকে নিয়ে আমরা সামনে এগোচ্ছি। অর্থাৎ আমাদের সবকিছুর মধ্যেই গণতন্ত্র থাকবে। আমরা সেই গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করি। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, এটার পুরোপুরি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক, একেবারে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে। আমার একটা অ্যাডভান্টেজ আছে, আমি কিন্তু একসময় নিজে লোকাল গভর্নমেন্টে ছিলাম। তো আমরা এই জিনিসগুলো সম্পর্কে কিছু ধারণা রাখি। আমি বিশ্বাস করি যে আপনাদের এই মন্ত্রণালয়কে অত্যন্ত গতিময় একটা মন্ত্রণালয়ে পরিণত করতে পারব। মানুষের যে সমস্যাগুলো আছে, সেই সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করতে পারব। গেল দেড় বছর ব্যাপক মব জাস্টিস হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, অবশ্যই। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। একটা বিপ্লব হয়েছে, বিদ্রোহ হয়েছে, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। এসব মুহূর্তের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে, এটা মনে করার কারণ নেই। এক-দেড় বছর আমরা পার হয়েছি একটা ইন্টারিম গভর্নমেন্টের অধীনে। তারা একটা ইলেকশন দিয়ে গেছে। ইলেকশন করে একটা গভর্নমেন্ট হয়েছে, ইলেকটেড গভর্নমেন্ট হয়েছে। এটাই তো একটা বড় অর্জন। অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করবেন কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রয়োজন নেই। কারণ তারা একটা বিশেষ মুহূর্তে দায়িত্ব নিয়েছে। সেই সময়, আমি মনে করি, আমার দলও মনে করে যতটুকু প্রয়োজন ছিল, তারা সেই কাজের সিংহভাগ করতে পেরেছে। মূল সমস্যাটা কী ছিল? ট্রানজিশন টু ডেমোক্রেসি। সেটি তো তারা করে দিয়ে গেছে। সুতরাং তাদের সেই কৃতিত্ব দিতেই হবে। তারা অনেক ভালো কাজ করেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

- Advertisement -
- Advertisement -