আলোকিত প্রতিবেদক:
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আব্দুল হাই সিকদার ২০১০ সালের ০২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরন করেন। তিনি ছিলেন ভান্ডারিয়া বিহারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক এবং পিরোজপুর জেলা ভান্ডারিয়া কোর্টের অ্যাডভোকেট। তাহার মৃত্যুবার্ষিকী আজও ভান্ডারিয়ার মানুষ স্মরণ করেন। তিনি মানুষকে শিখিয়েছেন সততা শৃঙ্খলা নৈতিকতা মানুষের প্রতি ভালবাসার মূল্য। একজন শিক্ষক হিসেবে উনি গরিব অসহায় ছাত্র-দের বিনামূল্যে শিক্ষাদান করতেন। একজন শিক্ষক হিসেবে তার লেখা পাঠ্যবই ছিল বাংলা স্টার, ইংরেজি স্টার, স্টার গ্রামার, একজন ভালো লেখকও ছিলেন তিনি। ইংরেজি ও বাংলা সাহিত্যিক ছিলেন। এডভোকেট হিসাবেও গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে থাকতেন সর্বদা। আব্দুল হাই শিকদার ব্যক্তিগত জীবনে তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। সবাই শিক্ষিত এবং কর্মরত অবস্থায় রয়েছেন, তাহার মেয়ে ড.সাবিনা ইয়াসমিন বলেন আমার বাবা পৃথিবীর সেরা বাবা, কারণ আমার বাবার মৃত্যু কালীন সময় ছিল মাত্র নয় টাকা, এক কাপ চা ও একটি পান, এর মূল্য টাকা ভাঙতি না থাকায় সে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয় সেই অসুস্থ কেন্দ্র করে তার মৃত্যু হয়। তাহার বড় ছেলে ইমাম হোসেন পলাশ বলেন এমন সৎ মানুষের দৃষ্টান্ত খুব কম পাওয়া যায়। আব্দুল হাই শিকদারের মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রতিবছরে পারিবারিক ভাবে দোয়ার আয়োজন করা হয়। আজও ভান্ডারিয়ার থানার মানুষ তাকে স্মরণ করে, হাই স্যার এর মতন একজন আদর্শ মানুষ আমাদের জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মহান আল্লাহতালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন আমিন।
আলোকিত প্রতিদিন/ ০২ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

