আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রুশ বাহিনীর ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের ১ হাজার ৩৩০টি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ২ দিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছে। রবিবার কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎশ্চকো এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন এ তথ্য।
বিবৃতিতে মেয়র বলেছেন, শনিবার রাজধানী কিয়েভসহ দেশজুড়ে ব্যাপকমাত্রায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এই হামলায় কিয়েভের ১ হাজার ৩৩০টি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনসহ পুরো ইউক্রেনে ১২ লাখ বাড়িঘর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
কিয়েভসহ ইউক্রেনের প্রায় সব প্রদেশ ও প্রাদেশিক শহরের গড় তাপমাত্রা এখন শূন্যের নীচে। আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে বাড়িঘরে বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউক্রেনের লাখ লাখ মানুষ।শিগগিরই বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হবে— এমন নিশ্চয়তাও দিতে পারেনি ইউক্রেনের সরকার। কারণ রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, শনিবারের হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সমূহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এক্সবার্তায় জেলনস্কি আরও জানিয়েছেন, গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এক সপ্তাহে রাজধানী কিয়েভসহ পুরো ইউক্রেনে মোট ১ হাজার ৭০০টি সুইসাইডাল ড্রোন, ১ হাজার ৩৮০টি গাইডেড এরিয়াল বোমা এবং ৬৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রুশ বাহিনী।
রাশিয়া এই হামলা করলো, যখন ইউক্রেনে যুদ্ধের অবসানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আবুধাবিতে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন ত্রিপাক্ষিক বৈঠক চলছে।
“রাশিয়ার একমাত্র লক্ষ্য এখন আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যবস্থা। আমরা তাদের প্রতিটি হামলার জবাব দেবো”, শনিবারের এক্সবার্তায় বলেছেন জেলেনস্কি।
সূত্র : রয়টার্স
আলোকিত প্রতিদিন/২৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

