মো: নজরুল ইসলাম (টিটু):
বান্দরবান একুশে টেলিভিশন এবং বাংলা এডিশন এর জেলা প্রতিনিধি মোঃ নজরুল ইসলাম (টিটু)কে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে বান্দরবান সদর উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক পরিচয়ে মো: আলমগীর সুমন। এ নিয়ে বান্দরবান সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
১২জানুয়ারী সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম টিটু জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মোঃ আলমগীর সুমন আমাকে অযথা গায়ে পড়ে প্রকাশ্যে বিভিন্নভাবে হয়রানি, গালিগালাজ, ভয়ভীতির প্রদর্শন, মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। কয়েকদিন চুপচাপ থাকার পর ১১জানুয়ারী রবিবার রাত ৯টার দিকে বান্দরবান থানচি স্টেশন (৩নং) এলাকায় আমি বসে থাকা অবস্থায় সে আমাকে নানা বিষয়ে উস্কানি দিতে থাকে। এক পর্যায়ে সে আমার গায়ে হাত দেবার চেষ্ঠা করলে আশপাশের লোকজন তাকে ধরে রাখে এবং আমি ঘটনাস্থল ত্যাগ করি। সে জানায়, পরেরদিন ১২জানুয়ারী সোমবার দুপুরে সে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আমাকে একা পেয়ে পুনরায় গালিগালাজ করে এবং আমাকে মারধর করার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসলে আমি মানসম্মাণ ও প্রাণ ভয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করি যা আশপাশের সিসিটিভি চেক করলে সত্যতা মিলবে। উক্ত ঘটনার পর থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং ভবিষ্যতে আমার জান-মালের ক্ষতির আশঙ্কা করার কারণে অভিযোগ দায়ের করেছি।
এবিষয়ে জেলা কৃষকদলের সেক্রেটারী মোঃ মনির হোসেন ভুইয়া বলেন, বিষয়টি আমি আহ্বায়কের সাথে নিয়ে আলাপ করবো। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা জানান, এ ধরণের কোন নেতাকে প্রশ্রয় দেয়া হবেনা। অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিএনপি মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী সাচিং প্রু জেরী বলেন, আলমগীর সুমনকে আমি ভালভাবে চিনিনা। জেলা কৃষকদলের সেক্রেটারী মনির হোসেন হয়তো চিনবে। তার সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে নির্বাচনের আগ মূহুর্তে নেতাদের এমন উগ্র আচরণে ক্ষুব্দ বিএনপির বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি এমন নেতাদের দলে রাখলে ক্ষমতা পেলে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটবে। তাই এমন উগ্র নেতাদের বহিস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা। অপর দিকে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যেও বড় ধরনের আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

