বিশেষ প্রতিনিধি: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, দৈনন্দিন কাজকর্ম থেকে শুরু করে বৈশ্বিক অঙ্গনে রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক পর্যন্ত; ডিজিটাল বিশ্ব এখন আমাদের জীবনের প্রতিটি অংশকে প্রভাবিত করছে। প্রযুক্তি যে গতিতে বিশ্ব এবং বাংলাদেশ উভয়কেই বদলে দিয়েছে, তা আমাদের কেউই উপেক্ষা করতে পারে না।
নিজের ৬১তম জন্মদিনে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অনেক সময় আমার স্ত্রী ও আমি বসে ভাবি—আমাদের শৈশবের পৃথিবী আর আজ আমাদের মেয়ের সামনে থাকা পৃথিবী কতটা ভিন্ন। আর অনেক অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের মতো আমরাও একই সঙ্গে আশা ও উদ্বেগ অনুভব করি।
চতুর্থত, নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রতিক্রিয়া—কমিউনিটি হেল্প ডেস্ক, নিরাপদ পরিবহন রুট, উন্নত স্ট্রিট লাইটিং, এবং ট্রমা-সেন্সিটিভ রেসপন্ডারদের মাধ্যমে নারীদের প্রতিদিনের জীবনকে আরও নিরাপদ ও পূর্বানুমেয় করা হবে। পঞ্চমত, নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বাড়াতে জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ; যেমন নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, পরামর্শদাতা নেটওয়ার্ক, স্কুল-অফিস-কারখানায় শিশু পরিচর্যার বিস্তৃত ব্যবস্থা নারীদের নেতৃত্ব গ্রহণ, অর্জন, ও পূর্ণাঙ্গভাবে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি করবে। কারণ, নারী এগোলে জাতি এগোবে। উল্লেখ্য, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

