আজ বৃহস্পতিবার, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ১২ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আওয়ামীলীগের লকডাউনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে দেবিদ্বার অংশে কড়া পুলিশি তল্লাশি

আরো খবর

নাজমুল হাসান:

আওয়ামী লীগ ঘোষিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অরাজকতা ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ।

১৩ নভেম্বর বুধবার সকাল থেকে দিনব্যাপী এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা (মুরাদনগর সার্কেল) এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিন। অভিযান চলাকালে মহাসড়কের পান্নারপুল, বাগুর, ভিরাল্লাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়।

সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যানবাহনে অবৈধ মালামাল বহন রোধ, মাদক ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থেকে কঠোর নজরদারি চালান। প্রতিটি যানবাহন সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা হয় এবং সন্দেহজনক যাত্রী ও মালামালের ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হয়।

পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, লকডাউনকে কেন্দ্র করে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন যেন সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জনগণের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে এ ধরনের তল্লাশি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

বহুল আলোচিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ১৩ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ বিচারপতি মো. গোলাম মোর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল গত ২৩ অক্টোবর অভিযোগ ও যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শহীদ আবু সাঈদের পিতা, স্বজনহারা পরিবারের সদস্যসহ ৫৪ জন সাক্ষী। স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনের নেতা নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান।

এর আগে গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে (অ্যাপ্রোভার) রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন।

প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগের পৃষ্ঠাসংখ্যা ৮ হাজার ৭৪৭, যার মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকা দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠা। তদন্ত প্রতিবেদন গত ১২ মে ট্রাইব্যুনালে জমা দেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩নভেম্বর ২০২৫/মওম 

- Advertisement -
- Advertisement -