পাঁচ বছর ধরে পর্দা থেকে দূরে সুরজিৎ। জীবন চলে দোকানের আয়ে। বলেন, ‘১৯৯৮ থেকে ২০২০ পর্যন্ত অভিনয় করে মাত্র পাঁচ লাখ টাকা রোজগার করতে পেরেছিলাম। ভাবুন, কতটা কঠিন সময় গেছে!’ এখন তাঁর সংসার চলে মুদির দোকান, আইসক্রিম আর কোমল পানীয় বিক্রি করে।
অভিনয়ের জগৎ থেকে সরে যাওয়া নিয়ে সুরজিতের কণ্ঠে আক্ষেপ, ক্ষোভ আর হাল ছেড়ে দেওয়া একটা ক্লান্তি—‘তৃণমূল আসার পর এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। অনেকে ভাবেন আমি হয়তো অন্য দলের ছিলাম—একেবারেই না। আমি কোনও দিন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না।’
এক সময় ক্যামেরার ফ্ল্যাশে ঝলমল করা মুখ এখন দোকানের আলোয় ঝাপসা। তবু তাঁর গলায় শান্ত সুর, ‘অভিনয়ে ফেরার ইচ্ছে নেই আর। এখন নিজের ব্যবসা নিয়েই বাঁচতে চাই।’
তার জীবনের এই নীরব পালাবদল—যেখানে এক সময় করতালির শব্দে ঘেরা মানুষ আজ নিজের জীবনের গল্প বলছেন দোকানের কাউন্টারে বসে।
সূত্র : আনন্দবাজার
আলোকিত প্রতিদিন/০৭ নভেম্বর ২০২৫/মওম


