বিশেষ প্রতিবেদক: তুমুল বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে কবিতা এসে হাজির হয়েছিল পরীবাগের সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের দোতলায়। কতিপয় ক্ষ্যাপাটে কবি কাব্য উন্মাদনায় জড় হয়েছিলেন ওয়াহিদুল হক সভাঘরে এবং তাদের স্মরণবীণায় বেজে ওঠেছিলেন চল্লিশের ফররুখ আহমদ আর পঞ্চাশের শামসুর রাহমান। শনিবার পহেলা নভেম্বর সন্ধ্যায় জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের এই স্মরণ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন কবি শাহীন রেজা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সত্তরের আলোচিত কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ। কবি সৈয়দ রনোর সঞ্চালনায় প্রথমেই ফররুখকে নিয়ে লিখিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি ও কথা সাহিত্যিক শাওন আসগর আর শামসুর রাহমানকে নিয়ে কবি ও সাংবাদিক জামাল উদ্দিন জামাল।
এরপর কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ, কবি ড. শহিদ আজাদ, কবি মুস্তাফা হাবীব, কবি কামরুজ্জামান, কবি সাজেদা হেলেন, কবি হুমায়ুন কবির সিকদার, কবি মোহাম্মদ কুতুবউদ্দিন, কবি হাসান কামরুল, কবি ও ছড়াকার শাহেদ বিপ্লব, কবি ও সম্পাদক মাহমুদ নোমান, কবি লিলি শেঠ, আবৃত্তি শিল্পী রুপালী বড়ুয়া, কবি নোমান রহমান, মাহমুদুল হাসান বিশ্বাস, কবি শাহাব উদ্দীন শামীম, শাহীনা বেগম, নুরুল ইসলাম খান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ বলেন, ফররুখ আহমদ আর শামসুর রাহমান দুই ধারার কবি। জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরাম দুই মেরুর এই দুই প্রবল কবিকে একত্রে স্মরণ করার মাধ্যমে প্রমান করলেন কবিরা নিজেরাই একটি দল এবং তাদের মধ্যে একমাত্র সেতুবন্ধন কবিতা।
সভাপতির বক্তব্যে কবি শাহীন রেজা বলেন, এদেশে লেখক সম্প্রদায়কে কৌশলে বিভাজিত করার একটি অপচেষ্টা চলছে। জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরাম সে চেষ্টাকে প্রতিহত করবে এবং এক ও অভিন্ন জাতিসত্তার আলোকে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। সাধারণ সম্পাদক ড. শহিদ আজাদ বলেন, আমরা ৫২, ৭১ ও ২৪ এর উত্তরাধিকার। বাংলাদেশ আমাদের শুরু এবং শেষ। এর বাইরে আমরা কিছু জানি না, মানি না।
বক্তারা বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তি যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন এদেশের লেখক সমাজ বাংলাদেশের কথাই বলে যাবে। তারা বলেন, একটি গোষ্ঠী ফররুখকে ইসলামের আর শামসুরকে নাগরিকের খোলসে বন্দি করতে চায়।আমরা এ খোলস মানি না। তারা দুজনেই সাম্য মানবতা আর সময়ের কবি। এভাবেই আমরা তাদেরকে চিহ্নিত করতে চাই এবং করে যাব।
বার্তা প্রেরক
কামরুজ্জামান
সহ সভাপতি
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
- Advertisement -


