আজ মঙ্গলবার, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ১৭ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আরো খবর

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ভোরে তিনি মাঝে মাঝে ৩০০ ফিট সড়কের নীলা মার্কেটে হাঁসের মাংস খেতে যান, সেখানে বন্ধ থাকলে গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে যান। তার এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রচুর আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। 

সর্বশেষ খবর পেতে ঢাকাপ্রকাশ এর গুগল নিউজ চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন ।

উপদেষ্টা আসিফের এই বক্তব্যের পর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

yestin.jpg
ছবি: সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে পার্থ লিখেছেন, ‘এক সময় ভাত খুঁজতো ক্যান্টিনে, এখন হাঁস খোঁজে ওয়েস্টিনে।’

ফেসবুকে দেওয়া তার এই স্ট্যাটাসটি রাজনৈতিকভাবে ইঙ্গিতপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তিনি কার উদ্দেশে এই পোস্ট দিয়েছেন সেটি স্পষ্ট করেননি।

এই রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত আন্দালিব রহমান পার্থের এই পোস্টে লাইক পড়েছে ৭৭ হাজার। ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থর এই পোস্টে পক্ষে বিপক্ষে ২০ হাজার ৫শ মানুষ মন্তব্য করেছেন এবং এটি শেয়ার হয়েছে আট হাজারের বেশি বার।

 


সারাদেশ

একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার,পাশে পড়েছিল চিরকুট


সারাদেশ ডেস্ক
সারাদেশ ডেস্ক
 প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৫, ১১:৫৫ এএম

একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার,পাশে পড়েছিল চিরকুট
ছবি: সংগৃহীত

 

রাজশাহীর পবা উপজেলার বামুনশিকড় এলাকায় ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন এক কৃষক।

সর্বশেষ খবর পেতে ঢাকাপ্রকাশ এর গুগল নিউজ চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন ।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন: মিনারুল ইসলাম, তার স্ত্রী মনিরা বেগম, ছেলে মাহিম ও দেড় বছর বয়সি মেয়ে মিথিলা। পুলিশ মিনারুলের মরদেহের পাশ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে।

পুলিশ জানায়, মিনারুল ও তার ছেলে এক ঘরে ছিলেন, অন্য ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন স্ত্রী ও মেয়ে। সকালে প্রতিবেশীরা ঘরে এসে মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে দেখতে পায়, মিনারুল ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছেন, ছেলের মরদেহ বিছানায়, আর অন্য ঘরে স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ শোয়ানো রয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মিনারুল প্রথমে স্ত্রীকে ওড়না দিয়ে এবং মেয়েকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ছেলেকে শ্বাসরোধ করে নিজে আত্মহত্যা করেন।

উদ্ধার করা চিরকুটে মিনারুল লিখেছেন, ‘আমি নিজ হাতে সবাইকে মারলাম এই কারণে যে, আমি একা যদি মরে যাই, তাহলে আমার স্ত্রী-সন্তান কার কাছে থাকবে? কষ্ট আর দুঃখ ছাড়া তারা কিছুই পাবে না। আমি মরে গেলাম ঋণের দায়ে আর খাওয়া-দাওয়ার অভাবে। এত কষ্ট আর মেনে নিতে পারলাম না। আমাদের বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়াই ভালো হলো। কারো কাছে আর কিছু চাইতে হবে না।’

স্থানীয়রা জানান, মিনারুল একসময় জুয়ায় আসক্ত ছিলেন এবং মাদকও গ্রহণ করতেন। এতে বিপুল পরিমাণ ঋণ হয়। সম্প্রতি বাবার জমি বিক্রি করে কিছু ঋণ শোধ করলেও আর্থিক সংকট কাটেনি। অনেক সময় পরিবারের দুবেলা খাবারও জুটত না।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। সব বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত করা হচ্ছে।

 

 

রাজধানীর আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একইসঙ্গে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

সর্বশেষ খবর পেতে ঢাকাপ্রকাশ এর গুগল নিউজ চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন ।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ এ অঞ্চলের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এছাড়া দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮–১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে। দিনের তাপমাত্রা আজ অপরিবর্তিতই থাকতে পারে।

এদিন সকাল ৬টায় ঢাকা ও আশপাশের এলাকার তাপমাত্রা ২৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল একই সময়ে তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে সবশেষ সারাদেশের জন্য দেওয়া ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

 


রাজনীতি

খালেদা জিয়ার ৮১ তম জন্মদিন আজ


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
 প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৫, ১০:৩৬ এএম

খালেদা জিয়ার ৮১ তম জন্মদিন আজ
ছবি: সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের আজকের এই দিনে তিনি দিনাজপুর জেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ও মাতা তৈয়বা মজুমদার দম্পতির তৃতীয় সন্তান বেগম জিয়া। তিনিই বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।

সর্বশেষ খবর পেতে ঢাকাপ্রকাশ এর গুগল নিউজ চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন ।

স্বৈরাচার হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। আর এরপর তার মাধ্যমেই বাংলাদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হয়।

বেগম জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিএনপির উদ্যোগে ঢাকাসহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয় অথবা বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

তবে জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ছাড়া কেক কাটা বা অন্য কোনো আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। দলের সব নেতাকর্মীদের প্রতি এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘১৫ আগস্ট ‘গণতন্ত্রের মা’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন। এই দিন উপলক্ষে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় এবং একই সঙ্গে ‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী শহীদগণ, ‘৯০ এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ও ‘২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের আশু সুস্থতা কামনা করা হবে। ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এদিন সকাল ১১টায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে বিএনপি’র সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।’

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়ার পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজী হলেও তার শৈশব-কৈশোর কেটেছে দিনাজপুর জেলায় বাবার কর্মস্থলে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে অধ্যয়ন করেন। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান ১৯৬০ সালে খালেদা জিয়াকে বিয়ে করেন।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া দম্পতির দুই সন্তান। একজন বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর। ২য় সন্তান প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট। ১৯৮১ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের পর, বেগম জিয়া ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি সাধারণ সদস্য হিসাবে বিএনপিতে যোগদান করেন। ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে দলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলটি তাকে চেয়ারপারসন নির্বাচিত করেন।

বিএনপির হাল ধরার পর ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তৎকালীন স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী আন্দোলন করেন। এই দীর্ঘ আন্দোলনে কখনই তিনি এরশাদের সঙ্গে আপোষ করেননি। কিন্তু বর্তমানে ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এরশাদের সঙ্গে আপস করে ১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের করেন। কিন্তু খালেদা জিয়া নির্বাচনের বিরোধিতা করেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। ওই সময় জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মতো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা পার্টির নেতৃত্বাধীন শাসনের অধীনে নির্বাচনে যোগ দিয়েছিল। ফলে এরশাদ সরকারের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হয়। ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার খালেদা জিয়াকে আটক করা হয়েছিল। এর পরও বেগম খালেদা জিয়া দলকে সংগঠিত করে আন্দোলন চালিয়ে যান। ১৯৮০ দশকে এরশাদের সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কঠোর বিরোধিতা এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে ভূমিকা রাখার কারণে তিনি ‘আপোষহীন নেত্রী’ হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন।

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বেগম জিয়া। তার প্রধানমন্ত্রিত্বকালে বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রে পরিণত হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদে কিছু বড় অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। কর্মসংস্থানের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় এই সময় এবং শুধু তৈরি পোশাক শিল্প খাতেই পাঁচ বছরে কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি ছিল ২৯ শতাংশ। প্রায় দুই লাখ নারী এই সময় তৈরি পোশাক শিল্পখাতে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর খালেদা জিয়া দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হন। কিন্তু নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যুক্ত করা ও পুনরায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতির কারণে, তিনি এক মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেন। এরপর একই বছরের জুনের মাসের নতুন নির্বাচনে বিএনপি হেরে যায়। কিন্তু ১১৬টি আসন নিয়ে বেগম জিয়ে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে সংসদে যোগদান করেন। এরপর ১৯৯৯ বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের সাথে চারদলীয় জোট গঠন করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়ী হন। ফোর্বস ম্যাগাজিন নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকার জন্য ২০০৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারীদের তালিকায় তাকে ২৯ নম্বরে স্থান দেয়। ২০০৬ সালে, তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের তৎকালীন সরকার গ্রেপ্তার করে। এরপর ২০০৮ সালে নির্বাচনে বিএনপি পরাজিত হয়। ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন খালেদা জিয়া।

২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সেখানেও জয়লাভ করেছিলেন। ২০০৯ সালের পর থেকে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলন শুরু করেন। এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কট করেন তিনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেয় শেখ হাসিনার সরকার। ২০২০ সালে করোনাকালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গুলশানে ভাড়া বাসায় এনে বন্দি রাখা হয় খালেদা জিয়াকে। তিনি সুস্থভাবে হেঁটে কারাগারে গেলেও, বেরিয়ে আসেন অসুস্থ হয়ে হুইল চেয়ারে করে। বেগম খালেদা জিয়া হৃদযন্ত্র, লিভারের সমস্যা, ডায়াবেটিস, চোখ ও হাঁটুর সমস্যাসহ নানা রোগে আক্রান্ত। এরই মধ্যে করোনা, হার্ট ও লিভারের সমস্যায় বার বার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার সুপারিশ করলেও শেখ হাসিনার সরকার তাকে বিদেশে নিতে দেয়নি।

কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর, রাষ্ট্রপতি তাকে মুক্তি দেন। এরপর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে চিকিৎসা নিয়ে এসেছেন। এখন তার শারীরক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা।

 


ক্যাম্পাস

১৫ আগস্ট উপলক্ষে ডিজে পার্টি ঢাবির শিক্ষার্থীদের


সারাবিশ্ব ডেস্ক
সারাবিশ্ব ডেস্ক
 প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৫৬ এএম

১৫ আগস্ট উপলক্ষে ডিজে পার্টি ঢাবির শিক্ষার্থীদের
ছবি: সংগৃহীত

 

ডিজে গান বাজিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘১৫ আগস্ট’ উদযাপন করছে। এতে বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।শুক্রবার (১৫ আগস্ট) প্রথম প্রহরে ডিজে পার্টি করে উল্লাস করতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্য সেন হল ও কবি জসিম উদ্দিন হলে ডিজে গানের তালে তালে নাচে মেতে ওঠেন শিক্ষার্থীরা।

সর্বশেষ খবর পেতে ঢাকাপ্রকাশ এর গুগল নিউজ চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন ।

এমনকি শিক্ষার্থীরা ‘শেখ হাসিনার সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন; জয় বাংলা’ যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই’সহ নানা গান বাজিয়ে নৃত্য ও উল্লাস করে। এছাড়াও শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগানও দেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে আগস্ট মাসে হলের শিক্ষার্থীদের অন্তত ৪০-৪৫টি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে হতো। তবে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। পরে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। স্বৈরাচার পতনের পর এ বছরের আগস্ট আমাদের জন্য ভিন্ন। বাধ্য হয়ে রাজনৈতিক প্রোগ্রামে যেতে হচ্ছে না। এজন্য আমরা মুক্ত পরিবেশে আনন্দ করছি।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে পুরো অগাস্ট মাসজুড়ে নানা আয়োজনে স্মরণ করা হত বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নিহত সদস্যদের। ১৫ অগাস্ট ছিল ‘জাতীয় শোক দিবস’, সরকারি ছুটির দিন। তবে চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার ১৫ অগাস্টের জাতীয় শোক দিবসের সাধারণ ছুটি বাতিল করে। রাষ্ট্রীয়ভাবে দিনটি আর পালন করা হয় না।

এ বিষয়ে মাস্টারদা সূর্যসেন হলের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আজিজুল হক বলেন,গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৫ অগাস্ট এলেই হলে হলে শিক্ষার্থীদের ‘জোর করে’ শোক দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হতো। সেই ক্ষোভ থেকেই হলের সবাই মিলে ১৫ অগাষ্টের শোক দিবসকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের গানগুলো দিয়েই উল্লাস করছে আজ।

- Advertisement -
- Advertisement -