আজ মঙ্গলবার, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ১৭ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নিত্যপণ্যের বাজার আবারও উত্তপ্ত,নিম্নবিত্তের মতো মধ্যবিত্তরাও বেকায়দায়

আরো খবর

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
আবার হঠাৎ করেই আবার নিত্যপণ্যের বাজার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরবরাহ থাকলেও বাজারে পণ্যের দামে লাগা আগুন এখন নিত্য নৈমিত্তিক। এতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। উচ্চমূল্যের কারণে তারা সাধ্যের মধ্যে মাছ-মাংস কিনতে পারছেন না। পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ভরসা ছিল ডিম, এখন তারও দাম বেড়েছে। ক্রমবর্ধমান দামের চাপে নিম্নবিত্তের মতো মধ্যবিত্তরাও পড়েছেন বেকায়দায়।
 কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মৌসুমি ঘাটতি বা পরিবহন সংকট দেখা দিলেই সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। এই অস্থিরতার বড় কারণ হলো মধ্যস্বভূগীরা। এ ছাড়া ডলারের উচ্চ বিনিময় হারও দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। কারণ ডাল, ভোজ্যতেল, মসলা ও কিছু ফল আমদানি নির্ভর। তাই ডলারের দাম বাড়লে এ সব পণ্যের ও দাম বাড়ে। কিন্ত এদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা খবই সীমিত। নবীনগর সদর বাজারের বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়- শাক-সবজি, চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, মসলা, সবজি, ডিম, মুরগি ও মাছের দাম একেক দোকানে একেক রকম। কোনো নির্দিষ্ট দামের নিশ্চয়তা নেই।
সবজির বাজারে এখন প্রতিদিনই এমন অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। চালের দামও অসহনীয়। মোটা চাল কেজিতে ৬০ টাকা, আর সরু চালের দাম ৯০ টাকা। মসুর ডালের কেজি এখন ১৬০ ১৬৫ টাকা। অন্যদিকে ডিমের দাম কিছুদিন কম থাকলেও আবার বাড়তে শুরু করেছে, প্রতি হালি ৫০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দামও স্থিতিশীল নয়, প্রায়ই ওঠানামা করছে। সবজির বাজারে দামের উত্তাপ লেগেই আছে কমছে না। বাজারে প্রতি কেজি করলা ৯০ টাকা, প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল ও কাঁকরোল প্রতি কেজি ৮০ টাকা করে। শসা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়, পটল ৮০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি পেঁপে ৩৫ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৮০/৯০ টাকা, মলা ৮০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, গোল বেগুন ১৪০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, ঢেড়স ৮০ টাকা, কচুর ছরা ৫০ টাকা এবং গাজর প্রতি কেজি ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ- মুরগির দোকানেও একই পরিস্থিতি। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০/৫০ টাকা। বাজারে প্রতি কেজি চাষের রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪৫০ টাকায়। তেলাপিয়ার (বড়) দাম প্রতি কেজি ২৩০/২৬০ টাকা, আর পাঙাশের দাম ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায়। চাষের চিংড়ির কেজি ৬৫০/৭০০ টাকা, এবং নদীর চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ১০০০/১২০০ টাকায়। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০/১৮০ টাকায়। সোনালি জাতের মুরগির দাম প্রতি কেজি ৩৫০/৩৭০ টাকা। ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০/৮০০ টাকা, আর খাসির মাংসের দাম ১২৫০ টাকা।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম

 

– Advertisement –
- Advertisement -
- Advertisement -