মাইনুল হাসান মজনু:
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর ভারি বৃষ্টি পাতের কারণে যমুনা নদীতে গত কয়েক দিনে প্রায় ১’শ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।এতে যমুনা নদীতে পানির স্রোত ব্যপক হারে বৃদ্ধি পায়। এরফলে বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। বগুড়া জেলার ধুনট,সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা উপজেলা দিয়ে বহমান যমুনা নদী।
হঠাৎ গত ৮’ই অক্টোবর রোজ বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের সহড়াবাড়ী ঘাট এলাকায় ভয়াবহ নদী ভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তেই ৫০-৬০ বিঘা আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।এছাড়াও সারিয়াকান্দি উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের ইছামারা, গোদাখালী ও দড়িপাড়া এলাকাতে শত শত বিঘা আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।
গত ২০০৪ সালে সহড়াবাড়ী ও বানিয়াজান হার্ড পয়েন্ট পরিদর্শনে এসেছিলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এ-সময় তিনিএকটি বট গাছ রোপণ করে ছিলেন। পানির স্রোতে বটগাছ টি নদী গর্ভে বিলীন হয়। শুধু তাই নয়, সহড়াবাড়ী ঘাট এলাকায় ৯’টি দোকান ঘর ও ৫টি বসতবাড়ি নদী ভাঙনের কারণে অন্যত্রে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
৯’অক্টোবর রোজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যমুনা নদী ভাঙন প্রতিরোধে কাজ শুরু করেছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড। তারা বালু ভর্তি জিও ব্যাগ এবং জিও টিউব ফেলে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছেন। এবিষয়ে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: লিটন বলেন, গত কয়েক দিনে যমুনা নদীতে প্রায় ১’শ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এরফলে বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন কবলিত স্থানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৯ অক্টোবর ২০২৫/মওম
- Advertisement -

