মোঃ ফিরোজ প্রধান, গাইবান্ধার অধিকাংশ উপজেলায় প্রতিবছরের মতো এবারও আগাম জাতের ফুলকপি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। নতুন জাতের রত্ন, আর্লি স্পেশাল ও সার্মার হোয়াইট ফুলকপি চাষ করে তারা আশানুরূপ ফলনের প্রত্যাশা করছেন।
কৃষকরা জানান, বছরের বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের সবজি চাষ করলেও এবার নতুন জাতের ফুলকপি তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে চাষাবাদে তারা সফলতাও পেয়েছেন।
একজন কৃষক বলেন, “ইউটিউবে নতুন জাতের ফুলকপি নিয়ে ভিডিও দেখে আমার আগ্রহ তৈরি হয়। পরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সহযোগিতা নিই। সেখান থেকে রত্ন, আর্লি স্পেশাল ও সার্মার হোয়াইট জাতের ফুলকপির বীজ সংগ্রহ করি। কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার না করে কেবল জৈব সার প্রয়োগ করেছি। চারা রোপণের পর ৭০–৭৫ দিনের মধ্যেই ফুল আসা শুরু করেছে।”
বর্তমানে ক্ষেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, আগাম জাতের ফুলকপি ভেষজগুণ সম্পন্ন ও স্বাদে উন্নত। এটি সাধারণ ফুলকপির তুলনায় বেশি পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের সহায়তায় চলতি মৌসুমে গতবারের তুলনায় বেশি জমিতে ফুলকপির আবাদ করা হয়েছে। কৃষকদের প্রদর্শনী প্লটও দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “ফুলকপির আবাদ সম্প্রসারিত হলে কৃষকরা নিঃসন্দেহে লাভবান হবেন। আগামী বছর আরও অনেকেই আগাম জাতের ফুলকপি চাষে আগ্রহী হবেন।” প্রতিনিয়ত জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে এসে চাষাবাদ পরিদর্শন করছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
- Advertisement -

