হেলাল উদ্দিন, টেকনাফ, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচারকালে এক লাখ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও কোনো পাচারকারিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবির দাবি, বাংলাদেশের একটি সংঘবদ্ধ চক্র মিয়ানমারের মাদক কারবারীদের যোগসাজশে নাফনদীতে মাছ ধারার জেলে ভেসে অপেক্ষামান ছিল। বিজিবির ধাওয়ায় দুইজন পাচারকারি নাফনদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার সাবরাং সীমান্ত চৌকির নাফনদীতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবার একটি চালান জব্দ করা হয়েছে। তবে আজ বুধবার সকালে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে কর্নেল আশিকুর রহমান।
বিজিবি সূত্র জানায়, টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের নেতৃত্বে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার সাবরাং সীমান্ত চৌকির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নাফনদীতে অভিযান পরিচালনার করা হয়। সীমান্তের ওপারে একটি সন্দেহজনক জেলে নৌকা বিক্ষিপ্তভাবে ঘোরাঘুরি শেষে নাফ নদীর শূন্য লাইন থেকে বাংলাদেশের ১০০গজ ভিতরে মাছ ধরার জেলে ভেসে অপেক্ষা করতে থাকেন। সন্দেহজনক নৌকাটিকে ধরতে কাছাকাছি বেশ কয়েকটি কৌশলগত স্থানে বিশেষ নৌ টহল মোতায়েন করা হয়। এসময় নাফ নদীর সীমান্তবর্তী এলাকায় ভাসমান নৌকাটি ধরতে নৌ-টহল গুলিকে দ্রুত বিজিবির টহলদল মিয়ানমারের সন্দেহজনক নৌকাটিকে ধাওয়া করলে ২জন চোরাকারবারী নৌকা থেকে পানিতে লাফ দিয়ে সাঁতার কেটে শুন্য লাইন অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে তাদের ফেলে যাওয়া নৌকাটিতে তল্লাশী চালিয়ে মাছ ধরার জালে জড়িয়ে লুকায়িত একটি প্লাষ্টিকের প্যাকেটের ভিতরে বিশেষভাবে মোড়কজাত করা এক লাখ পিস ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।মাদক পাচারে জড়িতদের ধরতে বাংলাদেশ অংশের বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান করা হলেও মাদক চক্রের কোনো সদস্য কিংবা তাদের সহযোগীদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে,চোরাকারবারীদের সনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি করতে ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন,সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে রোহিঙ্গা, মাদক ও চোরাচালানকে নিরৎসাহিত করার জন্য নাফনদীতে প্রচুর সংখ্যক বিজিবির টহল দল বাড়ানো হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
- Advertisement -

