আজ শনিবার, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

পদ্মা সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে বিশেষ জুলাই-গ্রাফি*তি অঙ্ক*ন!

আরো খবর

বিশেষ প্রতিনিধি, জুলাই শহীদ ও গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পদ্মা সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে বিশেষ গ্রাফিতি অঙ্কনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

সেতু কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদার স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে জুলাই বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থান একটি অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যেখানে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বীর শহীদ ও সংগ্রামী জনতার আত্মত্যাগ চিরকাল প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে এখানে।
এই মহিমান্বিত স্মৃতি অম্লান রাখার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ পদ্মা সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের ম্যুরালে বিশেষ গ্রাফিতি অঙ্কনের উদ্যোগ নিয়েছে।

 

এতে আরও বলা হয়েছে, এই শিল্পকর্মের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক চেতনা সেতুর স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে মিশে এক অনন্য ইতিহাসবাহী শিল্পরূপে পরিণত হচ্ছে। দেশের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো পদ্মা সেতু সংলগ্ন ম্যুরালে অঙ্কিত এই গ্রাফিতি শুধু সৌন্দর্যের সংযোজন নয়, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে জাতির সংগ্রামী অতীতকে জীবন্তভাবে তুলে ধরার এক অনন্য প্রয়াস। 

গ্রাফিতি অঙ্কন উপলক্ষ্যে গত ৭ আগস্ট সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ সশরীরে সেখানে উপস্থিত থেকে গ্রাফিতি অঙ্কনের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন শেখ, প্রধান প্রকৌশলী কাজী মোহাম্মদ ফেরদাউস, সেতু কর্তৃপক্ষের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে, এই উদ্যোগ শুধু শিল্পপ্রেমীদের নয়, বরং সমগ্র জাতির হৃদয়ে নতুন প্রেরণা জাগাবে এবং দেশের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসকে আরও দৃঢ়ভাবে ধারণ করবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

- Advertisement -
- Advertisement -