মোঃ আতিকুর রহমান রোজেন, ফেনী
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যে বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ফেনী মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র।১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিভাগীয় ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে এক বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময় ফেনী মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা: নাসরীন আক্তার মুক্তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো: তোফায়েল ইসলাম। ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উপাত্ত ব্যবহার করি, সাম্যের ভিত্তিতে সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক গোলাম মো: আজম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, চট্টগ্রাম বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা: ইফতেখার আহমেদ, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী।
অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ডা: নাসরীন আক্তার মুক্তা বলেন, সহকর্মীদের আন্তরিকতাপূর্ণ সহযোগীতায় এবং সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আমরা পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যে বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। এজন্য তিনি পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এমসিএইচ সার্ভিস ইউনিটের সম্মানিত পরিচালক ডা.মোঃ মুনীরুজ্জামান সিদ্দিকী এবং ফেনী জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফোরকান উদ্দিন সহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এদিকে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ফেনী মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৬০৯ জনের স্বাভাবিক প্রসব, ১০১ জনের সিজারিয়ান অপারেশন হয়েছে। ৫ হাজার ৪শ ৩৪ জন শিশু পরিচর্যা করা হয়েছে। এছাড়া প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা ও অন্যান্য সেবার মধ্যে ১২ হাজার ৭৯৩ জন মায়ের পুষ্টি সেবা, ৫ হাজার ১৫ জন শিশুর পুষ্টি সেবা, ৭২৯ জন কিশোর-কিশোরী সেবা নিয়েছেন। সিজারিয়ান অপারেশনে নারীদের সন্তান জন্মের প্রবণতা বাড়ার বাস্তবতায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের কারনে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত নারীরা আর্থিকভাবে ক্ষতি থেকে বাঁচতে পারছেন। পাশাপাশি শারীরিকভাবে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনাও কমে আসায় খুশি সেবাগ্রহীতরা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
- Advertisement -

