প্রতিনিধি,নোয়াখালী:
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে ৭০৩ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে তরুণ প্রার্থী আতাহার ইশরাক ওরফে সাবাব চৌধুরী। ৮মে বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নওয়াবুল ইসলাম বেসরকারিভাবে ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নির্বাচনে সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবাব। মোট ৬১টি ভোট কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৪৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ এ এইচ এম খায়রুল আনম সেলিম পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৪৫ ভোট। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো.আবদুল্যাহ আল মামুন নির্বাচিত হন। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ২৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো.ফরহাদ হোসেন চৌধুরী বাহার পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৮ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুন্নী আহমেদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪১১ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলেয়া বেগম পেয়েছে ৬হাজার ৩২৬ ভোট। এই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ২৫ হাজার ১৮৮জন। ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ৬১টি কেন্দ্রে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যায়, ৩টি ভোট কেন্দ্রের বাতিল হওয়া ১৯০৪ টি ভোট নিজের ভোট দাবী করে পরাজিত প্রার্থী জেলা আঃলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।তিনি বাতিলকৃত ভোট পূনরায় গণনা অথবা ফের ৩ কেন্দ্রে পূণরায় ভোট চেয়েছেন।এর আগে ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রুপের কর্মী সমর্থকরা মুখোমুখি অবস্হান নিয়েছিলো। এসময় বেশ কয়েকবার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা সংঘটিত হয়। সাবাবের সমর্থক রাহী হুদা ও চার জুবিলি ইউপির চেয়ারম্যান আমির খসরু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুবর্ণচর উপজেলা প্রাঙ্গনে এমপির অনুসারীদের জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়ে একাধিক স্ট্যাটাস দেয়। তবে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্হানের কারণে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতির তৈরি হয় নি।
আলোকিত প্রতিদিন /০৯ মে-২০২৪ /মওম
- Advertisement -

