মুহাম্মদ জুবাইর:
#পদক পাওয়ার পড় আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে ওসি কবিরুল ইসলাম
# পতেঙ্গা শত অপরাধ রুখবে কে
#এস আই কাদেরের এখন গোপন চাঁদাবাজি ইশারা ওসি কবিরুল ইসলামের
#পতেঙ্গা থানা পুলিশ অপরাধীরা সহ যৌথভাবে চালাচ্ছে কোটি কোটি টাকার চোরাচালান সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব
#বহিষ্কৃত ওসি প্রদীপের থেকেও ভয়ংকর কবিরুল ইসলাম
# যুব সমাজ ধ্বংসকারী এই ওসি কবিরুল ইসলাম
#সমুদ্রের নোনা জলে ওসি কবরুল ইসলামের কাছে টাকা আসে
#ওসি কবিরুল ইসলামের বড় অপরাধের চাবি এসআই কাদের
কথায় আছেনা? যে শস্য ভুত তাড়াবে, খোদ সে শস্যেই রয়েছে ভূত তাহলে তাড়াবে কে? বলছিলাম বানিজ্যিক রাজধানীর সে অভাগা এলাকা অপরাধীদের আতুরঘর পতেঙ্গার কথা। যেন অপরাধ আর পুলিশ একে অপরের সাথে মিলেমিশে একাকার। আক্ষেপ করে তাই স্থানীয়রা বলছেন,পতেঙ্গা জোন এরিয়ায় পুলিশ ও অপরাধীদের যোগসাজশে যে অপরাধ সম্রাজ্য গড়ে উঠেছে, এই অপরাধ রুখবে কে? এর আগে মাদক, চোরাচালান এবং চাঁদাবাজির ধারাবাহিক অনুসন্ধানমূলক ৩ পর্বের প্রতিবেদন প্রকাশের পরে খানিকটা নড়ে চড়ে বসেছে থানা পুলিশ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, কবিরুল ইসলাম ওসি পতেঙ্গার সেই রাইট হ্যান্ড চাঁদাবাজ এসআই কাদের এখন পলাতক আছে।
পতেঙ্গায় অবাধে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা, নিয়ন্ত্রণ কাদের হাতে? বন্দর নগরীর পতেঙ্গা থানার সী-বিচের আশেপাশে অর্থ্যাৎ স্টিলমিল থেকে সীবিচ পর্যন্ত ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক নামকা ওয়াস্তে আবাসিক হোটেল মোটেল ও গেস্ট হাউজ। এসব হোটেলে প্রবেশের সময় গেইটে বড় করে সাইনবোর্ড ঝুলানো আছে। যেখানে লেখা আছে স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েদের প্রবেশ নিষেধ। বাহিরের চিত্র এই হলেও ভীতরটা ঠিক যেন তার বিপরীত। তবে এই সাইনবোর্ডের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। শুধু রাতের অন্ধকারেই নয়, এখানে গেলেই সেই রাতের ললনাদের মিলছে দিনের আলোতে অর্থ্যাৎ এক প্রকার প্রকাশ্যেই যুবতিদের দিয়ে ব্যবসা করছেন হোটেল মালিকরা। ফলে অত্র এলাকার উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েরা জড়িয়ে পড়ছে অপরাধ জগতে, সূত্র বলছে এই অপরাধের কারণে অন্যান্য এলাকাগুলোর চেয়ে এখানে আশংকাজনক হারে বেড়েছে কিশোর গ্যাং। অনুসন্ধানে জানা যায়, পুলিশ থেকে শুরু করে নামে মাত্র সাংবাদিক এমনকি খোদ স্থানীয় এক কাউন্সিলরেও দেহ ব্যবসার হোটেল আছে। আর এইসব হোটেল চলে সরাসরি থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। নিয়মিত মাসোয়ারা ছাড়াও লভ্যাংশের একটি অংশ পুলিশকে দিতে হয় বলেও জানা যায়। জানা যায়, এসব হোটেলগুলো থেকে প্রতি মাসের ১ তারিখ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে ১ লাখ থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকাও চাঁদা দিতে হয়। আর তাইতো পত্রিকার শিরোনামগুলোতে নগরীর অন্যান্য থানায় থানা পুলিশের অভিযানের খবর প্রকাশিত হলেও প্রকাশ হয়না এই থানার অভিযানের খবর। মোটকথা সাবেক ওসি পতেঙ্গা আফতাব বদলি হয়ে যাওয়ার পর এখন এই থানায় চাঙ্গা হয় উঠেছে অবৈধ হোটেল ব্যবসা।
এদিকে নগরীর এই স্থানে এহেন অপরাধ কর্মকান্ড মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়ে যাওয়ায় দেশের অন্যতম এই পর্যটন কেন্দ্রটি ধীরে ধীরে হুমকির মুখে পড়ছে, অনিশ্চিত হচ্ছে ভ্রমনপিপাসুসহ স্থানীয় এলাকাবাসীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আলোকিত প্রতিদিন/ ৩ মার্চ-২৪ /মওম
- Advertisement -

