রানা ইস্কান্দার রহমান:
গাইবান্ধা পলাশবাড়ীতে সেটেল্টমেন্ট পরিচালিত চুড়ান্ত বিআরএস খতিয়ান প্রকাশ ব্যতিত এবং অধিগ্রহনকৃত
জমির অর্থ প্রদান না করেই সড়ক বিভাগের নিকট জমি হস্তান্তর এবং স্ব-স্ব নিজ দখলীয় অবকাঠামো ভেঙ্গে
নেয়ার মাইকিংয়ের প্রতিবাদে বিশাল এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক
ও ভাড়াটিয়ারা। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরশহরের নুনিয়াগাড়ী মৌজার ভুক্তভোগী ক্ষতিগ্রস্ত স্ব-স্ব জমির মালিক-দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও ভাড়াটিয়ারা গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সম্মুখে সমবেত হয়।এসময় ভূমি অধিগ্রহণ স্পর্শকাতর বিষয়টির প্রতিবাদে সমবেতরা এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।এতে বক্তব্য রাখেন আজিজার রহমান মোল্লা, সুরুজ হক লিটন, সুমন মোল্লা, মামুন মিয়া, রেজাউল করিম, খায়রুল ইসলাম, মামুন সরকার ও শাকিল মিয়া ছাড়াও ভুক্তভোগী ভূমি মালিকরা। আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সড়ক উন্নয়নের নামে সেটেল্টমেন্ট পরিচালিত চুড়ান্ত বিআরএস খতিয়ান প্রকাশ করা হয়নি।উপরন্ত অধিগ্রহণকৃত জমির অর্থ প্রদান না করেই সড়ক বিভাগের নিকট জমি হস্তান্তর এবং স্ব-স্ব দখলীয় অবকাঠামো ভেঙে নেয়ার জন্য জেলা প্রশাসন মাইকিং করে। এতে ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী জমির মালিক তথা ব্যবহারকারী দখলীয়দের মাঝে নানা জল্পনা-কল্পনা ছাড়াও মিশ্রপ্রতিক্রিয়াসহ চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। মানববন্ধন চলাকালে ভুক্তভোগী জমির মালিকরা আরও বলেন, অধিগ্রহণের সময় জমির মালিকদের মধ্যে যেসব ব্যক্তি-মালিক মোটা অংকের উৎকোচ
দিয়েছেন কেবলমাত্র তাদের জমির বিপরীতে ক্ষতিপূরণের টাকা দেয়া হচ্ছে। আর যারা উৎকোচ দেয়নি তাদের জমির প্রদেয় অর্থ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চরম গড়িমসি করছেন। ফলে বিক্ষুদ্ধ জমির মালিক ও ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীসহ ভুক্তভোগীমহল এদিন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। বিরাজমান সমস্যা নিরসনে মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা করে জেলা প্রশাসক বরাবর নিকট একটি স্মারকলিপি দাখিল করা হয়।

