আজ রবিবার, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ২৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বগুড়ায় পিতামাতার সম্মানে পূজা উদযাপন 

আরো খবর

মাজেদুর রহমানঃ
চারিদিকে বাজছে ঢাক,কাসার ঘন্টা আর রমনীদের উলুধ্বনি। বছর ঘুরে আবার মা এলো। তাই তো আট থেকে আশি সবার মুখে হাসি। দেবি দূর্গার আগমন উপলক্ষে হিন্দুধর্মের অনুসারীরা শনিবার উদযাপন করেছে মহালয়া। পুরাণ মতে, এ দিন মা দূর্গা কৈলাশের শশুরালয় থেকে পিতৃগৃহ মর্ত্য আগমন করেছেন। পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার ঘোড়ায় চেপে ধরাধামে এসেছেন মা দূর্গা। মায়ের মর্ত্য লোকে আগমনের দিন বগুড়ার চেলোপাড়া লাল বাগান কালী মন্দির প্রঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন পুজা। এলাকার সকল পিতা মাতাকে সামনে বসিয়ে সন্তানরা শ্রদ্ধাভরে ধুয়ে দিয়েছেন পিতামাতার চরণ যুগল,ভক্তি ভরে করেছেন জন্মদাতা জন্মদাত্রীর পুজা,নিয়েছেন আশির্বাদ। যা বর্তমান সময়ে সত্যিই বিরল। মহাভারতে যুধিষ্ঠির পিতামহ ভীষ্মকে জিজ্ঞেস করছেন- “হে পিতামহ! ধর্মের পথ বিরাট দীর্ঘ আর এর শাখা-প্রশাখা অনন্ত, ধর্মের এত কিছু মানুষ কি করে মাথায় ধরে রাখবে আর পালনই বা করবে কি করে? তাই সংক্ষেপে ধর্মের কথা কিছু বলুন যাতে খুব সহজ ভাবে ধর্মের অনুশীলন করা যায়। তখন ভীষ্ম বলছেন- খুব সংক্ষেপে যদি ধর্মের কথা বলতে হয় তাহলে মা, বাবা আর গুরু এই তিনজনের যদি পূজা করা হয় তাতেই প্রধান ধর্ম পালন করা হয়ে যায়। তিনটে লোক স্বর্গ, মর্ত ও পাতাল। মা, বাবা আর গুরু এই তিনজন হলেন এই তিনটে লোক, এই তিন জনের বাইরে আর কিছু নেই। বিশ্বনাথ চৌহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ছিলেন বগুড়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ১নং প্যানেল মেয়র পরিমল চন্দ্র দাস। বগুড়া ফতেহ আলী বাজারের ব্যবসায়ী নিবারণ চন্দ্র দাস,সত্য চন্দ্র দাস,তপন চন্দ্র দাস,সুধীর চন্দ্র সরকার, বিমল শীল,অনুকুল বিশ্বাস,প্রফেসার রতন সিং,প্রশান্ত,কেশরী চৌহান,কানতি সরকার সহ এলাকার আরও অনেকে। পুজায়  সার্বিক সহযোগিতা করেন ধর্মগুরু মঙ্গল ঠাকুর।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২১ অক্টোবর ২৩/মওম
- Advertisement -
- Advertisement -