এরশাদ আলী
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার লংগদু উপজেলাস্থ ১নং আটারকছড়া ইউনিয়নের উত্তর ইয়ারিংছড়ি ও ভাঙ্গামুড়া এলাকায় কয়কদিনের টানা অতিবৃষ্টি ফলে পাহাড় ধসে আংশিকভাবে তিনটি বসতবাড়ি, পাঞ্জেগানা মসজিদের দেয়াল ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও একটি গরু মারা গিয়েছে বলে জানা গেছে। ৭ আগস্ট ২০২৩ (সোমবার) বেলা ২ ঘটিকার দিকে উপজেলার আটারকছড়া ইউনিয়নের উত্তর ইয়ারংছড়ি ও ভাঙ্গামুড়ায় এ ঘটনা ঘটে।ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক ১। মোঃ ইসমাইল হোসেন(৪৩), পিতাঃ আমিন হোসেন, গ্রামঃ ইয়ারংছড়ি ৬নং ওয়ার্ড, তিনি পেশায় একজন ভিডিপি সদস্য, ২। মোঃ হুমায়ুন আহমেদ (৩৬),পিতাঃ আমির হোসাইন, গ্রামঃ ইয়ারংছড়ি ৬নং ওয়ার্ড,তিনিও পেশায় একজন ভিডিপি সদস্য, ৩। মোঃ জালাল হোসেন(৩৫), পিতাঃ- ইয়াকুব আলী, গ্রামঃ ইয়ারংছড়ি ৬নং ওয়ার্ড তিনি পেশায় একজন কৃষক। তাদের তিনটি বসতবাড়ি পাহাড়ে মাটি ভেঙ্গে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উক্ত পাহাড় ধসের সময় মোঃ ইসমাইল হোসেনের একটি গরু মাটি চাপা পড়ে মারা যায় বলে জানান ১নং আটারকছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ আল আমিন ইমরান জানাযায়, গত কয়েকদিন যাবৎ একাধারে টানা মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায়, পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত জনসাধারণকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। এর জন্য লংগদু উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইকবাল উদ্দীন জানান, পাহাড়ে পাদদেশে বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙ্গালী সকলকে আমরা নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যেতে বলেছি। সাধারণ মানুষের জান মালের নিরাপত্তায় আমরা সদা প্রস্তুত রয়েছি। এ বিষয়ে লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আকিব ওসমান বলেন, দুর্যোগ পূর্ণ আবহাওয়া পরিস্থিতিতে জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয় আসার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দিয়েছি। এছাড়াও তিনি বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে তাদের সহযোগীতা করা হবে বলে তিনি জানান।
আলেকিত প্রতিদিন/এপি
- Advertisement -

