একেএম ফারুক হোসেনঃ
নোয়াখালীতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শান্তিতে জুলিও কুরি পুরস্কারের স্মরণে আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে ২৮ মে রবিবার এক আলোচনা সভা ও দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। নোয়াখালীতে ব্যতিক্রমধর্মী এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ আবদুছ ছালাম। ডাঃ সৈয়দ কামরুল হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ কাজী আবদুল মতিন, ডাঃ উজিরে আজম, ডাঃ বাবলু কুমার বনিক প্রমুখ। এসময় অডিটোরিয়ামে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী,কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকবৃন্ধ। শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডাঃ আবদুল মতিন তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনের উদধৃতি টেনে বলেন,তৎকালীন বিশ্ব বিশেষ করে পুঁজিবাদী পশ্চিমা বিশ্ব এবং সমতা সাম্য কেন্দ্রিক বাকী বিশ্বের অন্যতম আইকনিক নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে বিবেচনা করা হতো। তিনি ছিলেন শোষকের বিরুদ্ধে শোষিত মানুষের পক্ষে। এসময় তিনি উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবীত হতে সকলকে তার সাথে একই কণ্ঠে সুরে সুর মিলিয়ে বলতে লাগলেন,”স্বাধীন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, আমরা তোমাকে ভালোবাসি”। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ডাঃ আবদুছ ছালাম বলেন,স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন মানবতাবাদী সৃষ্টি কর্তা প্রদত্ত্ব এক কিংবদন্তি শান্তির মহানায়ক ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময় অর্থ্যাৎ ১৯৭৩ সালে ২৩ শে মে বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি পদকে ভূষিত করা হয়। তিনি বঙ্গবন্ধু আজীবন শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে গিয়েছিলন। তৎকালীন বিশ্ব যখন দুটি ধারায় বিভক্ত একটি হচ্ছে শোষক তথা পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী অপরদিকে অন্যটি ছিলো সাম্য ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্হা।বঙ্গবন্ধু সেদিন বলেছিলেন, ” “আমি শোষিতের পক্ষে। উল্লেখ্য ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত শান্তিতে অবদান রাখার জন্য ” জুলিও কুরি” পুরস্কারে ভূষিত করার সূচনা হয়। তৎকালীন পৃথিবীতে শান্তিতে অবদানের জন্য পাঁচজনকে জুলিও কুরি পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পাঁচজনকে তখন পঞ্চপাণ্ডব বলে ডাকা হতো। আর এর মধ্যে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অন্যতম। আলোচনা সভা শেষে মেডিকেলের ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আদনানের স্বেচ্ছায় রক্তদানের মধ্যে দিয়ে পরবর্তী কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৮ মে -২০২৩/মওম

