বগুড়া শহরের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর উপর ফতেহ আলী ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার প্রায় ৫বছর পর চলতি মাসের ২২মে ব্রিজ পুনঃনির্মাণের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পরপরই ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হয়। এবং ভাঙার অংশ হিসেবে দু পাশের রেলিং ভেঙে ফেলা হয়। এদিকে রেলিং ভাঙা শুরুর পরই পূর্ব বগুড়ার লোকজন স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং প্যানেল মেয়র পরিমল চন্দ্র দাসের সাথে যোগাযোগ করেন এবং বিকল্প সেতু না হওয়া পর্যন্ত ব্রিজ ভাঙার কাজ বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেন। এরপরই ব্রিজ ভাঙার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই পৌরসভার প্যানেল মেয়র পরিমল চন্দ দাস এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষে বগুড়ার উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আমান উল্লাহ আমানের আলোচনায় বর্তমান ব্রিজের উত্তর প্রান্ত দিয়ে পায়ে চলাচলের রাস্তা করার সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২৫মে সকাল থেকে ব্রিজের উত্তরে করতোয়া নদীর দুপাশে মাটি কাঁটা শুরু হয় এবং আনুমানিক সকাল ১০টা থেকে পায়ে হেঁটে পারাপারের জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরীর জন্য ব্রিজের উপরে বাশ রাখা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ফতেহ আলী ব্রিজের পুনঃ সংস্কার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের একজনের সাথে কথা বলে জানা যায়,আজ- কালের মধ্যেই পায়ে হেঁটে পারাপারের জন্য বাঁশের সাকো বানানো হবে। বাঁশের সাঁকো তৈরী হয়ে গেলেই আবার ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৫ মে -২০২৩/মওম

