জি এম রাশেদুল ইসলাম:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে চুরি করার উদ্দেশ্যে পৃথক দুইটি বাড়ীতে পানির ট্যাংঙ্কের ভিতরে চেতনানাশক ঔষুধ প্রয়োগ করে একই পরিবারের ৪ জনকে অচেতন করেছে সংঘবদ্ধ চোরের সদস্যরা। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারী পুরুষ ৪ জনকে উদ্ধার করে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । শুক্রবার শেষ বিকালে উপজেলার বিদ্যাবাগিশ ধারিয়ার পাট এলাকায় এঘটনাটি ঘটে। আহতরা উল্টোপাল্টা বলায় স্বাভাবিক হয়নি এখনো।
আহতরা হলেন ওই এলাকার গনেশ চন্দ্রের ছেলে র্নিমল চন্দ্র (৪৪)তার স্ত্রী পিতিলতা রানী (৩৭) র্নিমল চন্দ্রের ছেলে স্বপন চন্দ্র রায় (৫১) ও তার আত্বীয় চিনুবালা (৫৫)। তারা সকালে খাবার খেয়ে বিকালে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাদেরকে স্বাভাবিক করার অনেক চেষ্টা করেছেন । কিন্তু ঘুমে বিভোড় হয়ে পড়েন তাঁরা। শেষ বিকালে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাদেরকে। ওই এলাকার আনিছুর রহমান এবং স্বজন প্রদীপ চন্দ্র রায় জানান সংঘবদ্ধ একটি চক্র আগে ওই বাড়ী দুইটিতে কৌশলে পানির ট্যাংঙ্কিতে চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে দিয়ে ছিল। আহতরা পানি পান করে অচেতন হয়ে পড়েছে। কিন্তু চোর চক্র ঘরে ঢুকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার এবং মূল্যবান মালামাল চুরি করতে পারেনি।
সম্প্রতি সময় ফুলবাড়ী আর্দশ স্কুলের পাশে , নাওডাঙ্গা ব্রীজের পার ,ফুলবাড়ী ডিগ্রী কলেজ পাড়ায় একই ভাবে পরিবারের সদস্যদেরকে পানিতে চেতনানাশক ঔষধ স্প্রে করে স্বর্ণালংকারসহ সর্বস্ব লুট করে নিয়ে গেছে চোরের দল। আহত স্বপন চন্দ্র রায়ের স্ত্রী স্বপ্না রানী রায় জানান সকাল বেলা ১০টা পার হলেও দেখি ঘুম থেকে আমার স্বামী উঠছে না। অনেক ডাকাডাকি করছি তাও ঘুম থেকে উঠে না। মাঝে মধ্যে উল্টোপাল্টা বলছে। পরে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। আহত র্নিমলের ভাগ্নে যুয়ন্ত কুমার রায় জানান পানির ট্যাকির ভিতরে চেতনানাশক ওষুধের আংশিক বস্ত পাওয়া গেছে। এ বিষয় পুলিশকে অবগত করা হয়েছে ।
ফুলবাড়ী হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক ডাঃ নুশরাতজাহান জানান আহতদের চিকিৎসা চলছে। তাঁরা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনর্চাজ ফজলুর রহমান জানান বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে । তারা আসলে বিস্তারিত শুনার পর আইনাগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২০ মে -২০২৩/মওম
- Advertisement -

