আজ বুধবার, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ৮ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পালিত বাংলা নববর্ষ ১৪৩০

আরো খবর

নাজমুল হাসান:
বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হবে নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩০। বাংলার চিরায়ত উৎসব চৈত্রসংক্রান্তি ছিল গত বৃহস্পতিবার। চৈত্র মাসের শেষ দিন চৈত্রসংক্রান্তি। আবার বাংলা বর্ষের শেষ দিনও।
নতুন বৎসরের কেতন উড়াইয়া আসিয়াছে বঙ্গাব্দ ১৪৩০। সেই উপলক্ষে প্রতি বৎসরের ন্যায় এইবারও বৈশাখের প্রথম দিবসটি ব্যক্তিগত, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাষ্ট্রীয় পরিমণ্ডলে নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে। প্রতি বছরের ন্যায় কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ( এমপি ), বিশেষ অতিথি  উপজেলা চেয়ারম্যান  জনাব আবুল কালাম আজাদ, সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নিগার সুলতানা এবং উপজেলা থানা ইনর্চাজ কমল কৃষ্ণ ধর।
বক্তব্যে তাঁরা বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির একটি সর্বজনীন লোক-উৎসব। পহেলা বৈশাখ- নতুন বাংলা বর্ষ। জীর্ণ পুরাতন সবকিছু ভেসে যাক, ‘মুছে যাক গ্লানি’ এভাবে বিদায়ী সূর্যের কাছে এ আহ্বান জানায় বাঙালি। আমাদের মনের ভেতরের সব ক্লেদ, জীর্ণতা দূর করে আমাদের নতুন উদ্যমে বাঁচার অনুপ্রেরণা দেয়। অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনায় উদযাপিত হয় নববর্ষ।আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি।
বাংলা বর্ষবরণ কেবল সামাজিক-সাংস্কৃতিক উৎসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মধ্যে অর্থনীতিরও নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। পহেলা বৈশাখ ব্যবসায়িক দেনা-পাওনার অনুষঙ্গ হইয়া উঠিয়াছে। আমরা দেখেছি, বৈশাখের বাজার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বিচিত্র-বহুমুখী করার ফলে যুক্ত করেছে নতুন মাত্রা। কেবল দোকানে বকেয়া আদায়ের হালখাতা নয়; ঈদ ও অন্যান্য উৎসবের ন্যায় পহেলা বৈশাখে পোশাকের সঙ্গে বসতঘর ও কর্মক্ষেত্রকেও সজ্জিতকরণের আয়োজন হয়ে থাকে। বিশেষ করে এই বৎসর বৈশাখের কিছুদিন পরেই ঈদের আগমন, ফলে দুই বড় উৎসব কে ঘিরে এই মাসের কেনাকাটা করছেন অনেকেই। তাই  বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে বাঙ্গালির সাজ লুঙ্গি, গামছা,  লাল, সাদা, সবুজ পাঞ্জাবি; শাড়ির সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্য ।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ এপ্রিল-২০২৩/মওম
- Advertisement -
- Advertisement -