আবু সায়েম:
সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ড যাওয়ার পূর্ব মুহুর্তে টেকনাফ মহেশখালীয়া পাড়ার জনৈক শফিকের বসত ঘর থেকে নারী এবং শিশুসহ ২৬ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এর মধ্যে ২৬ জন রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন। এ সময় তাদের পাচারে জড়িত নারী এবং পুরুষসহ ৫ দালালকে আটক করা হয়েছে।
১২ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার গভীর রাত ২ টার সময় টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়ার জনৈক শফিকের বসত ঘরে এ অভিযান চালানো হয়।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. আবদুল হালিম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে
সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়ার জনৈক শফিকের বসত ঘর থেকে ২৬ জন রোহিঙ্গা কে উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ১৭ জন পুরুষ, ৪ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। আর পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগ ৪ জন পুরুষ ও একজন নারী দালালকে আটক করা হয়েছে। এসময় ভিকটিমদের নিকট হতে পাচারের উদ্দেশ্যে আদায়কৃত ৪২ হাজার ৫০০ টাকা এবং একটি কাপড় ভর্তি ট্রলি গাড়ী জব্দ করা হয়। গত ৭ দিন ধরে মানব পাচার চক্রটিকে আটক করার জন্য বিভিন্ন ছদ্মবেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল।
উদ্ধার রোহিঙ্গাদের বরাতে ওসি আবদুল হালিম আরও বলেন, মূলত দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রোহিঙ্গাদের। তাদেরকে ওই বাড়ীতে জড়ো করা হয়েছিল। গ্রেফতারকৃত ৫ দালাল হচ্ছেন, সাবেকুন্নাহার (২৩), আবদুর রহিম (৩৫), জাহেদ হোসেন (২৯), নুরুল ইসলাম (৬০) ও জাহেদ হোসেন। এরা সবাই টেকনাফের বাসিন্দা।
উদ্ধারকৃত ২৬ জন ভিকটিমরা হলেন, মোঃ রফিক (১৬), মোঃ রিয়াজ (১৮), আবদুল্লাহ (১৯), শাহ আলম (১৭), কোরবান আলী (১৮), নজির আহম্মদ (৩৬), নুর কুদ্দুস (২৩), মোহাম্মদ জোহার (১৭), মোঃ ইয়াসিন (১৩), আবদুর রশিদ (২৯), নাছির উদ্দীন (২০), আনোয়ার ইব্রাহিম (১৮), মোঃ জাকের (১৯), , মোঃ ইমরান (১৫), মোঃ বনি (২২), মোঃ আয়াছ (১৪), ওসমান গণি (১৯), রমিজা (২৪), মোঃ আমিন (৮), মোঃ আলম (৬), নূর সাদিয়া (২),মোঃ ওমর (৩ মাস), তসলিমা (২৬), শাহামিম (৭), ছমিরা (১৯) ও ইয়াছমিন (১৯)। এরা সকলে রোহিঙ্গা নাগরিক এবং উখিয়া বালুখালীসহ বিভিন্ন ক্যাম্পের বাসিন্দা।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১২ জানুয়ারি -২০২৩/মওম
- Advertisement -

