5:39 pm |আজ রবিবার, ২২শে মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই রজব ১৪৪৪ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম:
চীনের ‘গোয়েন্দা’ বেলুন ধ্বংস করলো যুক্তরাষ্ট্র সর্বকালের সেরা বলিউড ছবি হতে চলেছে ‘পাঠান’ পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ মৃত্যুবরণ করেছেন গ্যাস-বিদ্যুত ক্রয়মূল্যে নিলে ঘাটতি থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী পাথরঘাটায় দুই ট্রলারের মাঝে  চাপা পড়ে এক জেলে নিহত ১০দফা দাবীতে “ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ” কর্মসূচীতে বিএনপিসহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ  টাঙ্গাইলে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ীতে মোটরসাইকেল-অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত-৩ পারিবারিক রেওয়াজ মেনে নিজের বিয়েতে নাচতে হবে কিয়ারাকে যুক্তরাষ্ট্রে তাপমাত্রা মাইনাস ৭৯,বিপর্যস্ত জনজীবন




অনিশ্চয়তা কাটিয়ে দেশের সব উপজেলায় পৌঁছে গেছে পাঠ্যবই

অনিশ্চয়তা কাটিয়ে দেশের সব উপজেলায় পৌঁছে গেছে পাঠ্যবই




আলোকিত ডেস্ক:

কাগজ সংকটকে কেন্দ্র করে সরকারের বিনামূল্যের পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে যথাসময়ে পৌঁছে দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও তা কাটিয়ে উঠেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এনসিটিবি বলছে গত বৃহস্পতিবারের (২৯ ডিসেম্বর) মধ্যে ৮০ শতাংশ বই ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। কয়েকটি প্রেস বই ছাপার কাজ দেরিতে শুরু করায় তিন-চারটি উপজেলায় বই পৌঁছতে দেরী হচ্ছে, শনিবারের (৩১ ডিসেম্বর) মধ্যে এগুলোও পৌঁছে দেওয়া যাবে।

১ জানুয়ারি রবিবার বই উৎসব করবে সরকার। এই উৎসবের মধ্য দিয়েই সারাদেশের শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের নতুন পাঠ্যবই তুলে দেবে সরকার। আড়ম্বরপূর্ণভাবে সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই প্রকাশের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বৃহস্পতিবার। ৩১ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় বই উৎসব উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিটি শ্রেণির একজন করে শিক্ষার্থীকে এক সেট করে বই দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করবেন তিনি। পরের দিন ১ জানুয়ারি রবিবার মাধ্যমিক স্তরের কেন্দ্রীয় বই উৎসব হবে গাজীপুরের কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। আর কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক স্তরের বই উৎসব হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে।

ডলার এবং কাগজ সংকটের কারণে সরকারের এই উৎসব আয়োজন ব্যর্থ হতে পারে এমনটি বারবার আলোচনায় আসলেও শেষ পর্যন্ত সংকট কাটিয়ে বই উৎসব করা সম্ভব হচ্ছে। দেশের সকল উপজেলায় বই পৌঁছে গেছে। জানতে চাইলে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম বলেন, ‘বই নিয়ে কোনও সংকট আর নেই। ২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মাধ্যমিকে ৮০ শতাংশের বেশি বই প্রস্তুত এবং সরবরাহ করা হয়েছে। কোনও উপজেলা বই পেতে বাকি নেই। যেখানে ১০০ সেট বই যাওয়ার কথা সেখানে হয়তো ৮০ থেকে ৮২ সেট বই গেছে। প্রাথমিকে এই মুহূর্তে ৮০ শতাংশের কম আছে। ৩০ ডিসেম্বর শুক্রবার যে পরিমাণ বই যাচ্ছে তাতে  ৮০ শতাংশ বই শনিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে।’

অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আড়ম্বরপূর্ণভাবে সারাদেশে পাঠ্যপুস্তক উৎসব হবে। করোনার কারণে যেহেতু গত দুবছর উৎসব হয়নি, এ বছর আমরা প্রতিটি জেলা-উপজেলায় জানিয়ে দিয়েছি আড়ম্বরপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে বই বিতরণের জন্য।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অধ্যক্ষ বলেন, ‘ডলার সংকট, কাগজ প্রস্তুতের ভার্জিন পাল্প আমদানি না করে দেশে রিসাইকেল করে কাগজ তৈরি করে বই সরবরাহ করা হয়েছে। কাগজ অনুযায়ী বইয়ের মানও ভালো। তবে ভার্জিন পাল্পের তৈরি কাগজের বই ছাড়াও ভালো বই হতে পারে তা এবার বোঝা গেছে। মাত্র এক বছর ব্যবহার করার জন্য বেশি  দামি কাগজ কিনে বই ছাপার প্রয়োজন নেই। তা প্রমাণ হলো।’

৮০ শতাংশ পাঠ্যবই ছাপা শেষ

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে চার কোটি ৯ লাখ ১৫ হাজার ৩৮১ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে সাড়ে ৩৪ কোটির বেশি পাঠ্যবই ছাপা হচ্ছে। এরমধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক এবং ইবতেদায়ি মিলিয়ে এই স্তরে ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৫৩ হাজার এবং মাধ্যমিক স্তরে স্কুল, মাদ্রাসা এবং কারিগরি মিলিয়ে ২৪ কোটি ৬৩ লাখ ১০ হাজার কপি পাঠ্যবই ছাপা হচ্ছে। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষার বই ছাপা হচ্ছে দুই লাখ ১২ হাজার ১৭৭ কপি।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম নিশ্চিত করেন এসব বইয়ের মধ্যে ৮০ শতাংশ বই  ২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবারের মধ্যে ছাপা শেষ হয়েছে। বাকি বই দ্রুত ছাপা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ ডিসেম্বর– ২০২২/মওম

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
অন্যধারা এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান