আজ মঙ্গলবার, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ৩১ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শাজাহানপুরে হামলা ভাংচুর ও হয়রানি থেকে বাঁচতে এক ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

আরো খবর

দুলাল,শাজাহানপুর (বগুড়া): 

বগুড়ার শাজাহানপুরে হামলা ভাংচুর ও অহেতুক হয়রানি থেকে বাঁচতে বকুল ইসলাম নামের এক ছ’ মিল ব্যবসায়ী সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
১৩অক্টোবর রবিবার সন্ধ্যার ৭টার পরে শাজাহানপুর প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী বকুল ইসলাম বলেন, তিনি ২০১৯ সালে জনৈক আফজাল হোসেন খাঁনের নিকট থেকে কবলা মূলে রহিমাবাদ মৌজায় ৩৩০৮, ৩৩০৯ ও ৩৩১০ দাগের ১৫ শতক জমি কিনেন। জমি কেনার পর নামজারী করে বানিজ্যিক হারে খাজনা দিয়ে আসছেন এবং ভোগদখল করছেন। ওই সম্পত্তিতে পূর্ব থেকেই ‘জাকের ছ মিল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ছিল। যার শুরু থেকেই তিনি পরিচালনা করে আসছিলেন এবং জমি কেনার পরও ছ’ মিলটি সচল রেখেছেন। একপর্যায়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি জমি দাতার স্ত্রী নারগিছ বেওয়া তার সহযোগি আব্দুল খালেক, জাকির হোসেন, রোজি আকতার, বাবু মিয়া গংদের নিয়ে তার ছ’ মিলে হামলা করে প্রধান দরজা ও প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলে এবং দরজার একটি পাল্লা খুলে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ হয়। সে সময় প্রতিপক্ষ দোষ স্বীকার করে ১ মাসের মধ্যে ভেঙ্গে ফেলা প্রাচীর ও দরজা মেরামত করে দেওয়ার অঙ্গীকার করে। কিন্তু আজও মেরামত করে দেয় নাই। এরপর গত ২৯ অক্টোবর নারগিছ বেওয়ার সহযোগি আব্দুল খালেকসহ বাদি হয়ে শাজাহানপুর থানায় বকুল ইসলাম সহ ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয় যে, আব্দুল খালেক তার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মাণ করতে আসলে তারা বাঁধা দিয়েছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাজাহানপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং পরবর্তীতে কাগজপত্রসহ থানায় ডাকা হবে বলে জানালেও আজ পর্যন্ত ডাক পরেনি।
অপরদিকে গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আব্দুল খালেক, জাকির হোসেন, রোজী বেগম, হায়দার আলী ও তাদের ভাড়াটিয়া লোকজন বকুল ইসলামের ছ’ মিলে ফের হামলা চালায় এবং টিনের বেড়া দিয়ে সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা করে। বাঁধা দিতে গেলে লাঠিশোটা নিয়ে তারা ধাওয়া করে। জীবন বাঁচাতে পুলিশের ৯৯৯-এ ফোন দেন বকুল ইসলাম। তাৎক্ষণিক ভাবে শাজাহানপুর থানার একদল পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন। সেই সাথে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখতে বলেন এবং জমি দাতার কাছ থেকে আব্দুল খালেক কে জমির দখল বুঝে নিতে পরামর্শ দেন। এমতাবস্থায় আব্দুল খালেকের হামলা, হুমকি ধামকি ও হয়রানি থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বগুড়া জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট সকলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ী বকুল ইসলাম।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ নভেম্বর-২০২২/ মওম

- Advertisement -
- Advertisement -