আজ শনিবার, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সুলতানুল আজম আপেল’কে জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চায় ত্যাগী নেতাকর্মীরা

আরো খবর

বিশেষ প্রতিনিধি:

আসন্ন মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন – ২০২২ এ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বেড়ে ওঠা মানুষদের সমন্বয়ে একটি যুগপযোগী বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সার্বিক পরিস্থিতির বিবেচনায় ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত জননেত্রী শেখ হাসিনার সততার আলোয় আলোকিত মানিকগঞ্জ গড়তে মানিকগঞ্জ বাসির প্রাণপুরুষ সুলতানুল আজম খান আপেলকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চায় ত্যাগী নেতাকর্মীরা।

মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন -২০২২ প্রায় আসন্ন। বাংলার উন্নয়নের কারিগর, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে ও মানিকগঞ্জকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দূর্গ হিসেবে তৈরী এবং মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুলতানুল আজম খান আপেলের নেতৃত্বের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।
আপেল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার আমলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে জনগণের দোয়ারে-দোয়ারে গিয়ে বিভিন্ন আলোচনা সভার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের জোয়ার জনগণের মাঝে তুলে ধরতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।

যে মানিকগঞ্জ সদর আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যোগ্য নেতৃত্বের অভাব ছিলো। সেই সদর আসনে তিনি যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সততা ও যোগ্যতা দিয়ে সাধারণ মানুষের দোয়ারে দোয়ারে গিয়ে জামাত-বিএনপির ঘাঁটি ভেঙ্গে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি তৈরীর জন্য নিরলশ পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

সাবেক এই তুখোড় সাহসী ছাত্রলীগ নেতা, রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের সাহসী মুজিব সৈনিক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুজিবকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও আদর্শে আদর্শিত। তিনি মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

তার বনাঢ্য রাজনৈতিক পদ – পদবী নিম্নরূপ :

সুলতানুল আজম এর রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি হয় মানিকগঞ্জ পৌরসভা ছাত্রলীগের মাধ্যমে।
তিনি ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।
এরপর ১৯৮০-১৯৮৬ সাল পর্যন্ত মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৭ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯০ সালে তিনি মানিকগঞ্জ জেলা সর্বদলীয় ছাত্রঐক্য এর সভাপতি নির্বাচিত হন।
এরপর ১৯৯৩ সালে মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ এর কার্যকরী পরিষদ এর সদস্য হন।
১৯৯৪-২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৪-২০১৫ পর্যন্ত মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ এর যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেন।
সর্বশেষ তিনি ২০১৫ সালে মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ এর যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মনোনিত হয়ে আজও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
সুলতানুল আজম খান আপেল মেহনতী ও শ্রমজীবি খেটে খাওয়া সাধারণ নিরীহ মানুষের সুখ-দুঃখের সর্বসময়ের সাথী। তিনি দিন-রাত নিজের আরাম-আয়েশকে বিসর্জন দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে এবং সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে নিরলস দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
আপেল মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হলে দলীয় নেতৃবৃন্দের মাঝে প্রাণের জোয়ার ফিরে পাবে। কারণ আপেল একজন ন্যায় পরায়ণ ব্যক্তিত্ব। জনস্বার্থে সকল প্রকার উন্নয়ন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তিনি সকলের মাঝে হয়ে উঠেছেন এক জনপ্রিয় জননন্দিত নেতা।

জেলা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা জানান, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অঘোষিত বিএনপি জামাতের ঘাটি হিসেবে পরিচিত মানিকগঞ্জে জেলা আওয়ামীলীগের একটি শক্তিশালী কমিটির বিকল্প নেই। সে হিসেবে আসন্ন মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ এর ত্রি বার্ষিক সম্মেলন -২০২২ এ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুলতানুল আজম খান আপেল যোগ্য একজন ব্যক্তি।

আলোকিত প্রতিদিন/৯ নভেম্বর -২০২২/এসএএইচ

- Advertisement -
- Advertisement -