আজ শনিবার, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বনবিভাগের  পৃথক অভিযানে ২০ একর বনভূমি উদ্ধার 

আরো খবর

আবু সায়েম: 
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন উখিয়া রেঞ্জের  দোছড়ি বনবিটের  হরিণমারা এবং মাছকারিয়াবিল,এবং রত্নাপালং ইউনিয়নের টেকপাড়া এবং পালং উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন  এলাকায় পৃথক পৃথক  অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০ একর বনভূমি জবরদখল মুক্ত,  শিকারকৃত ৫০ বকপাখিসহ পাখি শিকারের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ  এবং ২ টি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ করে বিপুল পরিমাণ কাঠ জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ নভেম্বর)উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ গাজী শফিউল আলম বলেন,উখিয়া উপজেলার রাজাপালং আলী মোরা এলাকার দোবাই ফেরত শফিকুর রহমান এক ভূমিদস্যুর কাছ থেকে দোছড়ি বিটের হরিণমারায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বনভূমি ক্রয় করে দখল করার গোপন  সংবাদ পেয়ে  অভিযান চালিয়ে বনভূমি দখলমক্ত করে উচ্ছেদ করা হয়েছে ।এসময় দোছড়ি বন বিটের আওতাধীন অন্য আরেকটি স্থানে বনভূমি দখল করে পাকা দালান নির্মাণের সময় অভিযান চালিয়ে স্থাপনা  ভেঙেও উচ্ছেদ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন,অন্যদিকে পৃথক অভিযান চালিয়ে  উখিয়ার মাছকারিয়াবিল এলাকার কিছু পাখি শিকারী জাল দিয়ে ফাঁদ বসিয়ে পাখি শিকার করছে এমন সংবাদ পেয়ে  প্রায় ১ হাজার দুইশত  ঘনফুট কারেন্ট  জাল জব্দ সহ ও ৫০ টি   বক পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধারকৃত বক পাখি  প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত  করা হয়েছে।
পৃথক পৃথক অভিযানে , দোছড়ি বনবিট কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র হাওলাদার, বিট কর্মকর্তা রাকিব হোসাইন রাজু,থাইংখালী বিট কর্মকর্তা বিকাশ দাশ,  সদর বনবিট কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদুজ্জামান সহ উখিয়া রেঞ্জের আওতাধীন সকল বিটের বনপ্রহরী ও সিপিসি সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন সজীবের নেতৃত্বে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ গাজী শফিউল আলমের সহযোগিতায়   অভিযান চালিয়ে রত্নাপালং ইউনিয়নের টেকপাড়া ও পালং উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় দুইটি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ করে বিপুল পরিমাণ কাঠ জব্দ করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ গাজী শফিউল আলম। সংশ্লিষ্ট জড়িত সকল আসামিদের চিহ্নিত করে পৃথক পৃথক  বন আইনে মামলা দায়ের করা হবে।
উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগের যৌথ অভিযানে ২ টি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ করে বিপুল পরিমাণ কাঠ জব্দ করা হয়েছে।  সরকারি সম্পদ রক্ষার্থে আমরা সজাগ ও সতর্ক রয়েছি। নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে বালু,পাহাড় খেকো এবং পাখি শিকারিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। বন অপরাধ দমনে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১ নভেম্বর-২০২২/ মওম
- Advertisement -
- Advertisement -