আব্দুল সাত্তার টিটু :
যশোরের বাঘারপাড়ার দুধর্ষ ডাকাত, মাদক সিন্ডিকেটের প্রধান, অস্ত্রধারী, বোমাবাজ, প্রতারক এবং ৯ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামীর দীর্ঘদিন নাইট গার্ডের ছদ্মবেশে চট্টগ্রামে আত্মগোপন করে এবং সর্বশেষ আইন শৃংখলা বাহিনীর মিথ্যা পরিচয় দিয়ে পোশাক শ্রমিকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে ঢাকায় নিয়ে ধর্ষণের অপরাধে উক্ত দুধর্ষক সন্ত্রাসী র্যাব-৭, চট্টগ্রাম কর্তৃক আটক।
১৮ অক্টোবর মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন এমজেডএম ফ্যাক্টরি হতে আসামী মোঃ জাহিদ হাসান @বোমা জাহিদ @নাহিদুল হাসান সজিব @মোঃ জাহিদুল সরদার @নাহিদ @সজিব কে গ্রেফতার করে। সে যশোর জেলা বাঘারপাড়া থানার মৃত আকবর সর্দারের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৭ সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিডিয়া মোঃ নুরুল আবছার জানান, নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ও র্যাব সদস্য পরিচয় দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর একজন সহজ সরল গার্মেন্টস কর্মীর সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ০২ আগস্ট ২০২২ইং তারিখে ঢাকায় রমনা মডেল থানাধীন একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায় এবং সেখানে ভিকটিমকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষনের পর আসামী জাহিদ ভিকটিমের কাছে থাকা ৩,৮০০/- টাকা এবং গলার চেইন ছিনিয়ে নিয়ে সেখান হতে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম হেটেল হতে বের হয়ে একজন ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় রমনা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে যান এবং আসামী জাহিদের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার এফআইআর এ আসামীর নাম দেয়া হয় নাহিদুল হাসান সজিব, পিতা-অজ্ঞাত, মাতা-নুপুর খাতুন। আসামী এ নামগুলো ভিকটিমের নিকট বলেছিল। প্রকৃতপক্ষে জাতীয় পরিচয়পত্র মোতাবেক আসামীর নাম মোঃ জাহিদ হাসান। সে তার এলাকা যশোরে মোঃ জাহিদ সরদার @বোমা জাহিদ নামে পরিচিত। মামলা হতে গ্রেফতার এড়াতে সে যশোর থেকে পালিয়ে চট্টগ্রামে চলে আসে। পরবর্তীতে সে চট্টগ্রামে এসে ইপিজেড এলাকায় এমজেডএম কোম্পানীতে নাইট গার্ড এর ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে। ব্যক্তি জীবনে সে ২টি বিয়ে করেছে। যশোরে তার এক স্ত্রী এবং দুটি সন্তান রয়েছে । গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানায় ০৮টি, কোতয়ালী থানায় ০১টি এবং ঢাকার রমনা থানায় ০১টি মামলা সহ সর্বমোট ১০টি মামলা আছে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৯ অক্টোবর-২০২২/ মওম
- Advertisement -

