দুলাল,শাজাহানপুর
বগুড়ার শাজাহানপুরে ব্যক্তি মালিকানাধীন ফলজও বনজ বৃক্ষ বাগান থেকে জোরপূর্বক গাছ কেটে নিধণ করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
এঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বামীর অবর্তমানে স্ত্রী মরজিনা বেগম ৩জনকে বিবাদী করে উপজেলার চোপীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বিবাদীরা হলেন, উপজেলার চোপীনগর ইউনিয়নের বৃ-কুষ্টিয়া তালতলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ২ ছেলে বিপ্লব হোসেন (২৬)ও নাইম হোসেন (২১) এবং একই গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম(৩০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চোপীনগর ইউনিয়নের বৃ-কুষ্টিয়া তালতলা গ্রামের মৃত হবিবর রহমানের ছেলে রজিবুল ইসলামের বসতবাড়ির পূর্বপাশে ফলজও বনজ বৃক্ষ বাগান রয়েছে। এর পাশেই একই গ্রামের বিবাদীদের জমি রয়েছে। ২৪সেপ্টেম্বর বিবাদীগন রজিবুল ইসলামের বৃক্ষ বাগানের ৫টি লিচু, ৫টি আম, ১টি তাল এবং ১টি আকাশ মনি গাছ মোট ১২টি বৃক্ষ জোর করে কেটে নতুন করে পায়ে চলার রাস্তা বের করেন। যে গাছ গুলির আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ টাকা। এঘটনায় রজিবুল ইসলামের স্ত্রী মরজিনা বেগম বাদি হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বাদি মরজিনা বেগম জানান, তার স্বামী রজিবুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবদ মালয়েশিয়া আছেন। এই সুযোগে তার স্বামীর ভাতিজারা দো-সীমানার উপর দিয়ে রাস্তা না করে তার স্বামীর ব্যক্তি মালিকানা জমির গাছ কেটে রাস্তা নির্মাণ করেছেন। বাধা দিতে গেলে তারা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখায়। বিষটি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে তিনি বিবাদীদের পক্ষ নিয়ে বলেন, অভিযোগ দিয়ে তুমি কি করতে পারো তা দেখে নেয়া হবে।
বিবাদী বিপ্লব হোসেন জানান, চোপীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে জমি মাপযোগ করে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া বাদি পক্ষের লোকজন বিবাদী রাশেদুল ইসলামের ২টি নারকেল গাছ ও ৩টি আম গাছ কেটেছে।
ইউপি সদস্য আবু সাইদ জানান, কারো পক্ষ নিয়ে এধরনের কোন কথা কাউকে বলা হয়নি। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান বাবলু বলেন, এই বিষয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজন পড়ায় সেখান থেকে অনেত্র চলে এসেছেন। বিষয়টি ইউপি সদস্যকে জানতে বলা হয়েছে। কিন্তু তড়িঘড়ি করে এভাবে গাছ কাটা ঠিক হয়নি। আগামীকাল শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

