কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছাস্থ পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজি ও ধরা মাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগঃমধ্যম মাঝিগাছা এলাকার কুখ্যাত সোর্স তৌহিদুল ইসলাম ও পুলিশের গাড়ি চালক সোহাগের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট দায়ের করা অভিযোগ হুবহু দেওয়া হলঃ- সূত্রঃকোতয়ালী মডেল থানা মামলা নং-৭২/৭৪১ তারিখ ২৯/৮/২০২২ইং ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ইং ৩৬(১)সারণির ১৯(খ)ধারা।
বিষয়ঃঅধিকতর তদন্ত পূর্বক সত্য উদঘাটন তথা আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গে।
জনাব,যথা বিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারীনি মোসাঃসুমী বেগম পিতাঃমৃত অহিদ মিয়া, স্বামীঃ মোঃ ফারুক মিয়া প্রকাশ কালা ফারুক সাং-উত্তরমাঝিগাছা,থানাঃ- কোতয়ালী মডেল,জেলাঃকুমিল্লাগন
এই মর্মে অভিযোগ করিতেছি যে, পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজি এবং মাদক কারবারি বহু মামলার আসামী ১.মোঃতৌহিদুল ইসলাম (৩৬),পিতা-মন্তাজ মিয়া,সাং-মধ্যম মাঝিগাছা(৪নং ইউপি)মোবাইল ০১৭৭৫৯৭১২৬৪,এবং পুলিশের গাড়ি চালক পরিচয়ে একাধিক মামলার আসামী মোঃসোহাগ(৩৮) পিতা-মোঃআলী হোসেন সাং মধ্যম মাঝিগাছা রফিক মেম্বার বাড়ী ৪নং ইউপি,মোবাইলঃ ০১৭২৮৪২৩০২৩ উভয় থানাঃকোতয়ালী মডেল, জেলাঃকুমিল্লা। গত২৪ আগস্ট২০২২ইং বিকালে আমার স্বামী(ফারুকের)কাছে ২০ হাজার টাকা দাবী করে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা আমার স্বামীকে হুমকি ধমকি প্রদর্শন করেন। পরবর্তীতে ভুয়া গায়েবী ওই মামলায় আমার স্বামীকে পলাতক আসামী করে।
যা সরজমিনে মামলার উল্লেখ্যিত ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করলে সততা নিশ্চিত হবে।
উল্লেখ্যঃগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় কুমিল্লা জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা স্মারক নং-০৫.৪২.১৯০০.০১৫.১৮.০৩৭.১৯.৩১/১ তারিখঃ ১৪জানুয়ারী ২০২০ইং আমার স্বামী মোঃফারুক স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন(আগে মাদকের সাথে জরিত ছিল বর্তমান সে মাদক মুক্ত)আমার স্বামী একজন ফার্নিসার মিস্ত্রি।
অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনী ব্যবস্থার গ্রহণে আপনার একান্ত সুমর্জি কামনা করছি।
বিনীতা-সুমী বেগমগং
সংযুক্তঃ
১.জাতীয় পরিচয় পত্র,
২.জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কপি,
৩.মামলার কপি,
৪.পত্রিকার কপি।
- Advertisement -

