রানা ইস্কান্দার রহমান:
ভাউচারে জমা হওয়া একটি বেসরকারী ব্যাংকের ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা সোনালী ব্যাংক গাইবান্ধা প্রধান শাখা থেকে অন্য একাউন্টে চলে যাওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনার জট খুলতে শুরু করেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানান। এসময় আসামী মো. আবু তাহেরকে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত করা হয়।
গত ৬ জুলাই ডাচ-বাংলা ব্যাংকের গাইবান্ধা শাখার এক কর্মকর্তা সোনালী ব্যাংক , গাইবান্ধা প্রধান শাখায় ৩কোটি ২৫ লাখ টাকার ভাউচার জমা দেন। ওই টাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের একটি একাউন্টে ট্রান্সফার হওয়ার কথা থাকলেও জমা হয় ঢাকার আমির ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি হিসাব নম্বরে। বেশ কিছুদিন পর গাইবান্ধা সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পিবিআই( পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) কে অবহিত করে।
পিবিআই এর পুলিশ সুপার এআরএম আলিফ জানান,গাইবান্ধা শাখা থেকে সংশ্লিস্ট একাউন্ট নাম্বারের একটি ডিজিট পরিবর্তন করে অথবা ভুল করে আমির ইন্টারন্যাশনালের স্বত্ত্বাধিকারি মো. আবু তাহেরের হিসাব নাম্বারে জমা হয়। ওই হিসাব নাম্বারটি চেক করে দেখা যায়, আবু তাহের ১ কোটি ১০লাখ টাকা উত্তোলণ করে বিভিন্ন একাউন্টে ট্রান্সফার করেছেন। এব্যাপারে পুলিশ পিবিআই এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে গাইবান্ধা ও ঢাকার একটি টিম মো. আবু তাহেরকে নোয়াখালী থেকে গ্রেফতার করে। গত মঙ্গলবার তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ৩০লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। অবশিষ্ট ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা উদ্ধারে ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পিবিআই ততপরতা চালাচ্ছে।
সোনালী ব্যাংক গাইবান্ধা শাখার ম্যানেজার জাহিদুল ইসলাম গাইবান্ধা সদর থানায় ১০ আগষ্ট পিবিআই তদন্তভার গ্রহন করে। সট: এআরএম আলিফ, পুলিশ সুপার, পিবিআই, গাইবান্ধা।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১১আগস্ট ,২০২২/ মওম
- Advertisement -

