নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় যে চীনের সহযোগিতায় যে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হচ্ছে, সেখানে চীনের অধিক পরিমাণ কল-কারখানায় ও প্রযুক্তি স্থাপন করতে সহায়তা করা হবে জানিয়েছেন চীনের মন্ত্রী। এছাড়া বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল শেষ করার জন্য তিনি বাংলাদেশকে তাগিদ দিয়েছেন যাতে পরে এটি দ্রুত চালু করা সম্ভব হয়। তিনি বলেন, ‘সামনের দিনগুলিতে তারা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ সমঝোতা স্মারক করতে চান।’ বিশ্বের সৌর বিদুতের ৫০ শতাংশ যন্ত্রাংশ চীন থেকে সরবরাহ করা হয় এবং এই নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ চাইলে চীন সহায়তা করবে বলে তিনি জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন অধিক পরিমাণে ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশে আনার জন্য বিষয়টি জানিয়েছেন।বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়টি উত্থাপন করেন।রোহিঙ্গা ইস্যু
দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ’চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন মিয়ানমারের যে অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো কারণে শুধু বাংলাদেশ না, অনেকেরই সমস্যা হচ্ছে। রোহিঙ্গা সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানে চীন অব্যাহতভাবে কাজ করে যাবে।’ যে এক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা প্রয়োজন এবং চীন অনেকদূর এগিয়ে ছিল। এর একটা সমাপ্তি দরকার ‘
দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের পরে চারটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। সেগুলো হচ্ছে ১. পিরোজপুরে অষ্টম বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ সেতুর হস্তান্তর সনদ, ২. দুর্যোগ মোকাবিলা সহায়তার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদী সমঝোতা স্মারকের নবায়ন, ৩. ২০২২-২৭ মেয়াদে সংস্কৃতিক সহযোগিতা সমঝোতা স্মারকের নবায়ন এবং ৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অফ ওশেনোগ্রাফির মধ্যে মেরিন সায়েন্স নিয়ে সমঝোতা স্মারক।

