আজ বুধবার, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে ছাতা কারিগরদের

আরো খবর

মোঃ নূরুজ্জামান সবুজ: 
পঞ্জিকার পাতা অনুযায়ী এখন বর্ষাকাল। প্রতিদিনই চলছে রোদ আর বৃষ্টির খেলা। এই সময় ছাতা তৈরির কারিগরদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। কার ছাতা কে আগে মেরামত করে নেবেন তার জন্য শুরু হয় প্রতিযোগিতা। পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বেশ কয়েকজন ছাতা তৈরির কারিগর রয়েছে। যারা অন্যের দোকানের সামনে বসে কাজ করে থাকেন। ২৯ জুন বুধবার ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের শরৎনগর বাজারে সাপ্তাহিক হাটে দেখা যায় ছাতা মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগরেরা। ছাতা কারিগর জাহাঙ্গীর আলম জানান, বর্তমানে প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ছাতার কাপড়, হাতল, স্প্রিং প্রভূতি জিনিসপত্র কিনতে হচ্ছে চড়া দামে। সরবরাহ রয়েছে অনেক কম। কারিগরেরা বলেন, সারা বছর ধরতে গেলে তাদের বসেই থাকতে হয়। খুব একটা কাজ থাকেনা। তবে এই সময়টাতে তাদের কাজের চাপ বহু গুনে বেড়ে যায়। পৌর সদরের চৌবাড়ীয়া মাষ্টার পাড়া মহল্লা থেকে ছাতা মেরামত করাতে আসা আলহাজ্ব শেখ মো. আব্দুস সামাদ মাষ্টার বলেন, তিন’টি ছাতা নষ্ট হয়ে ঘরে পড়েছিল। বৃষ্টির সময় ছাতার দরকার হয় তাই সারাতে এসেছি। ছাতার কারিগরেরা প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত আয় করেন। কারিগরেরা হাতের সুনিপুণ কাজে সারিয়ে তোলেন ছাতার সমস্যা। আর বিনিময়ে পাওয়া অর্থ দিয়ে চালান সংসার। এদিকে উপজেলার ছাতার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। পৌর সদরের শরৎনগর বাজারের কুন্ডু বাসনালয় এন্ড ষ্টোরের মালিক শ্রী তপন কুমার কুন্ডু দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন কে বলেন, আমাদের এখানে খুচরা ও পাইকারী ছাতা বিক্রি হয়। বর্তমানে ফোল্ডিং ছাতা’র চাহিদা একটু বেশি। ভাঁজহীন দেশি ছাতা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং দেশি-বিদেশি দুই ভাঁজের ছাতা ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৯ জুন ,২০২২/ মওম
- Advertisement -
- Advertisement -