প্রতিনিধি, নেত্রকোণা:
নেত্রকোণায় প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া লটারি বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা, প্রতারণার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ, দেওয়া হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্সও। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন নেত্রকোণা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আকলিমা আক্তার। ২৭ জুন সোমবার সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় চয়েজ ইলেকট্রনিক্স মার্কেটিং কনসেন্ট নামক প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন – ২০০৯ এর ৪৪/৪৫ ধারায় ১০হাজার টাকা জরিমানা করে। এই প্রতারক চক্রে জড়িত গোপালগঞ্জ লোহাচূড়া এলাকার বাসিন্দা ফরিদ খান (২৭ ), সুমন শেখ (২৭) ও সোহাগ মিয়া (২৬) কে নেত্রকোণা জেলা ছাড়ার নির্দেশ দেন এই আদালত।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি নেত্রকোণা সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে সারা হোটেলের বিপরীতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য খোকনের বাসায় ভাড়া নিয়ে তারা মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে। তারা বিভিন্ন এলাকায় লটারীর মাধ্যমে সনি কোম্পানির পণ্যের নাম করে ভূয়া পণ্য বিক্রি করে আসছে। প্রতি লটারী ২০০ টাকায় দিয়ে কিনতে হয় আবার পণ্য পেলে তা টাকা দিয়ে নিতে হয়। কিছু না পেলে টাকা ফিরত দিবে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ফরিদ খান। এপর্যন্ত তারা চল্লিশা, রাজেন্দ্রপুর ও সদর উপজেলার কিছু এলাকায় গিয়ে তারা ৩০০-৩৫০ টি লটারী বিক্রি করে। এছাড়াও স্থানীয় ব্যবসায়ী না হওয়া সত্বেও চল্লিশা ইউনিয়নের ট্রেড লাইন্সেন্স ( নং-৫৩৫) নিয়েছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ২০০৯ এর ৪৪/৪৫ ধারা অনুযায়ী তাদের জরিমানা সহ এলাকা ছাড়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। এছাড়া ও ভূুক্তভোগীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য আগামী কাল পযর্ন্ত থাকতেও নির্দেশ দেন তিনি। এবং চেয়ারম্যান এঁর জিম্মায় তাদের বাকি মালামাল রাখা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৮ জুন ,২০২২/ মওম
- Advertisement -

