জাহাঙ্গীর আলম রেজভী:
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রমজান আলী (৩৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ইসলাম হৃদয়কে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে ঢাকার উত্তরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শহীদুল ইছানগর ৭ নম্বর ওয়ার্ড়ের শফিউল আলমের ছেলে। তিনি রমজান হত্যা মামলার ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ। তিনি দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন কে বলেন, “রমজান হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত আসামিগন পলাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা উত্তরায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের মধ্যে প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে কর্ণফুলী থানা পুলিশ। বাকিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে দুপুর ২টায় সিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।” প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন কর্ণফুলীর চরপাথরঘাটা ইউনিয়নে শেষ দাপের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পরাজিত মেম্বার প্রার্থীকে ভোট দেওয়ায় নির্বাচনের পরের দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিজয়ী মেম্বার পদপ্রার্থী সাইদুল হকের সমর্থকরা পরাজিত মেম্বার পদপ্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাকের সমর্থক রমজানকে ধরে মারধর করে। এক পর্যায়ে গ্রেপ্তার শহীদুল রমজানকে ছুরিকাঘাত করলে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মামলায় অন্যান্য আসামীগণ হলেন, ইছানগর ৭ নম্বর ওয়ার্ড়ের শফিউল আলমের তিন ছেলে শহিদুল ইসলাম হৃদয় (১৯), মো. রাশেদ (২৮) ও খোরশেদ আলম (৩০), একই ওয়ার্ড়ের মৃত মোহাম্মদ হোসেন ছেলে আবুল কালাম (৩২), মো. সেলিমের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ (১৮), বশির উল্লাহর ছেলে আরিফুল ইসলাম দুখু (১৯) ও মো. জামালের ছেলে মো. বিজয়কে (২০) আসামি করা হয়। এছাড়া আরও ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় । আসামিরা সবাই ওই ওয়ার্ডের বিজয়ী মেম্বার প্রার্থী সাইদুল হকের সমর্থক বলে জানা যায়। গত শুক্রবার নিহতের বড় ভাই মুহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আলোকিত প্রতিদিন / ২০ জুন ,২০২২/ মওম
- Advertisement -

