প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম নগরীর ১৯ নং ওয়ার্ড বাকলিয়া নয়া মসজিদে বেপরোয়া গতিতে অদ্য সন্ধা ৬.৩০ মিনিটে অটোরিকশায় আহত এক বাচ্চা সহ মহিলা(৩৮)। এটি নতুন কোন ঘটনা নয়। কিছু দিন আগে ও একই স্থানে সালাউদ্দিন নামে এক ব্যাবসায়ী গুরুতর আহত হন। অবৈধ অটোরিকশাসায় প্রতিনিয়ত একের পর এক মৃত্যুর দুর্ঘটনা ঘটলেও এখনো বন্ধ হয়নি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা অবৈধ চলাচল। ঘটনাস্থলে শ’খানেক জনতার উপস্থিতি ঘটলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকারে রূপ ধারণ করলে ভিবিন্ন সংবাদ কর্মী বাকলিয়া থানার ওসি রাসেদুল হককে মুঠো ফোনে জানালে কিছুক্ষণ পরেই এসআই সোহেল এবং আরো বেশ কয়েকজন কনস্টেবল উপস্থিত হন । ঠিক তখনই জনতার তোপের মুখে অটো রিক্সার ড্রাইভার কে আটক করতে বাধ্য হয়। ঘটনাস্থলে স্থানীয় জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন নিরাপদ সড়ক চাই এবং অবৈধ অটোরিকশা বন্ধের দাবি জানান। এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিকরা আরো জানান,বিগত কিছুদিন আগে একটি মানববন্ধন হয় অবৈধ অটোরিকশা বন্ধের, তার কোন সুফল দেখতে পায় নাই এলাকাবাসী। আরো জানান,বৌবাজার খাজা হোটেলের পিছনে মাদ্রাসার ছোট্ট শিশু মৃত্যুতেও এখনো চলছে বেপোরোয়া অটোরিকশা। এই ভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা হলেও এখনো পর্যন্ত প্রশাসনের নজরদারিতেই চলছে বেপরোয়া অটোরিকশা। এর পিছনে কার হাত আছে উৎসুক জনতা জানতে চায়। বাকলিয়ার মত অবস্থা চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী আমাদের প্রতিবেদক বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা ট্রাফিক বিভাগের অক্সিজেন ট্রাফিক ইনচার্জ টিআই’র সাথে অবৈধ নিষিদ্ধ অটোরিকশা ও গ্রাম সিএনজি নিয়ে কথা বললে তিনি প্রথমে আমাদের প্রতিনিধির সাঙ্গ এড়িয়ে যেতে চান। একই সময় ফোনালাপে বাংলাবাজার লিং রোডে যখন একাধিক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু নিয়ে টিআই’র সাথে আমাদের প্রতিবেদক ফোনালাপে কথা বলেন আদালত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ থাকার পড় ও ১০ থেকে ১৫ বছরের কিশোরদের দিয়ে অটো রিকশা ও গ্রাম সিএনজি লাইসেন্সবিহীন তুলে দিচ্ছে টাকার বিনিময় টোকেন বাণিজ্য চাঁদাবাজরা ঠিক তখনই প্রতিনিয়ত হচ্ছে দুর্ঘটনা নেই কিশোরদের কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স’ দুর্ঘটনায় মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন করা হলে টিআই প্রতিবেদককে জানান তিনি এলাকায় কর্মরত আছেন দীর্ঘ পাঁচ মাস। ব্যাটারি রিকশাগুলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্সে এই নিয়ে তিনি উনার ভাষ্যমতে গাড়িগুলোকে আমরা মেইনরোড উঠতে দেই না। এই বৃহত্তর এলাকা কন্ট্রোল করার মত জনবল বা আমাদের কাছে অতিরিক্ত ফোর্স না থাকায় যা আমাদের সাধ্যের মধ্যে নেই। আমি এখানে জয়েন করার পর থেকে ৫০০ থেকে ৬০০ অবৈধ অটোরিকশা ও অবৈধ গ্রাম সিএনজি আটক করতে সক্ষম হই এবং এই অভিযান চলমান রয়েছে। ছিন্নমূল এলাকায় অটোরিকশার ব্যাপারে আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে এবং ডেবার পাড়, জামতলা এবং লিংক রোডে রুটগুলোতে আমরা বিশেষ কোনো কাজে গেলে আমাদের চোখের সামনে অটোরিকশা পড়লে আমরা এই অটোরিকশার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করি। আমি প্রাক্তন টিআই মঞ্জুর ভাই এর পরে উক্ত ফাঁড়িতে জয়েন করি। এই বৃহৎ এরিয়া কাভার করতে গেলে আমাদের একজন সার্জেন্টের সাথে একজন বা দুইজন সহযোগিতা প্রয়োজন যেটা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। তাই এই বৃহৎ এরিয়া যদি আমরা প্রতিনিয়ত ধরতে যাই তাহলে আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ দরকার, আর আপনারা তো জানেন ঢাকায় একটা বিশাল ঘটনা ঘটে গেছে যদি আমরা এমন করতে যাই তাহলে আমাদেরকে অপরাধী বানিয়ে দেবে, ও দেখেনা সাজ্জাদকে পাবলিক বিভিন্ন অনৈতিক ঘুষ খাওয়া নিয়ে তাদের অপরাধ নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ফেলে এই ঘটনা হিসেবে তিনি ঢাকা সার্জনদের অফিস ভাঙচুর করার ঘটনাটি তুলে ধরেন। আমাদের প্রতিবেদক নামে-বেনামে অটোরিকশা ও গ্রাম সিএনজির সমিতির বিষয়ে জানতে চাইলে, টিআই বলেন এ সমস্ত সমিতি অনেক প্রভাবশালী লোকজন নিয়ন্ত্রণ করেন, আমি একজন সাধারন সার্জেন্ট টি আই এই সমিতি ভাঙতে পারি না । আমি এ বিষয়ে আর বেশি কিছু বলতে পারছি না আমার যতটুকু বলার আমি বলছি। আমি আমার পক্ষ থেকে অভিযোগ রিকশা ও সিএনজি ধরতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি সত চেষ্টা করার পরেও আমাদের হাত থেকে কিছু অবৈধ গাড়ি চলে যায় এই অবৈধ গাড়ি ছোট বাচ্চা কিংবা কিশোর চালাতে পারবেনা আর ছোট বাচ্চারা তো প্রশ্নই উঠে না ,আর গ্রাম সিএনজি শহর এলাকায় চলতেই পারে না বাইরে চলাচল করলেও জননিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন / ১১ জুন ,২০২২/ মওম
- Advertisement -

