প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল:
কৃষক শ্রমিক জনতালীগের পক্ষ থেকে দেয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের (শোকজ) জবাব সাত দিনের মধ্যে দিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী। ০৫ জুন রবিবার দুপুরে তার ব্যক্তিগত সহকারী সাইদুল ইসলাম জবাবের চিঠি মতিঝিল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছে দেন। চিঠিটি গ্রহণ করেন কার্যালয়ের অফিস সহকারী মো. হারুন। অফিস সহকারী মো. হারুন বলেন, ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলীর একটি চিঠি আজ দুপুরে আমার কাছে জমা দিয়েছেন। পহেলা জুন দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক স্বাক্ষরে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। নোটিশের জবাব সাত দিনের মধ্যে দলীয় কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী দল থেকে দেওয়া শোকজ নোটিশের জবাব দিয়েছেন। ০৫ জুন রবিবার সাংবাদিকদের কাছে তিনি তার দেওয়া জবাবের কপি দেন। শোকজ নোটিশের জবাবে দল এবং নিজের রাজনীতির বিষয়ে নানা কথা তুলে ধরেন দলের এই কেন্দ্রীয় নেতা। তিনি বলেন, কারণ দর্শানোর গোপণ পত্রটি কার মাধ্যমে কিভাবে সাংবাদিকদের কাছে হস্তগত হইলো আমার বোধগম্য নয় এবং বিষয়টি নিয়ে আমি বিব্রতবোধ করিতেছি এবং হতবাক হয়েছি।
ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত সাংগঠনিক কর্মকান্ডে নিস্ক্রিয় রয়েছি যা মোটেও সঠিক নয়। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দলীয় সব ধরনের প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করেছি এবং সর্বশেষ দলীয় কর্মীসভা ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল সোনারবাংলা বঙ্গবীরের বাসভবনে উপস্থিত ছিলাম। এরপর দুই বছর কোভিড-১৯ এর কারণে কোন প্রোগ্রামে দাওয়াত পাই নাই। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে কালিহাতী উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি লুতফর রহমান আমাকে ইফতারের দাওয়াত দিলে অসুস্থতার কারণে আমি উপস্থিত থাকতে না পারলেও অবহিত করে বিকাশে ০২ হাজার টাকা পাঠিয়ে পরোক্ষ ভাবে অংশগ্রহন করি। তিনি আরো বলেন, আমি বিভিন্ন সংগঠন বিশেষ করে বিএনপির কোন সমাবেশে অংশগ্রহন করি নাই। তবে আমি একজন ঐক্যফ্রন্টের নমিনী হিসেবে দল থেকে নমিনেশন প্রাপ্ত হইয়া বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকে কালিহাতী-৪ আসন থেকে নির্বাচন করি। উক্ত নির্বাচনে বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের সকল দল সক্রীয়ভাবে সহযোগিতা করার কারণে প্রতিকুল অবস্থার মধ্যেও প্রায় ৩৬ হাজার ভোট প্রাপ্ত হই। ঐক্যফ্রন্টের নমিনী হিসেবে উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতৃবৃন্দ ( বিদ্রোহী গ্রুপ) এর উদ্যেগে ইফতার মাহফিলে ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে অংশগ্রহন করি। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ গ্রহণ করে থাকে। কারণ এতে কোন রাজনৈতিক বিষয় থাকেনা। তাই আমি কোন ভুল করিনী। বর্তমান উপজেলা বিএনপির সাথে সাংগঠনিক বা দলীয় কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করি নাই এবং এর কোন প্রমাণ বা ভিত্তি নেই। সংগঠনের জন্য বিব্রতকর বা অশোভনীয় কোন কাজ করি নাই এবং সবার সাথে আমার সু-সম্পর্ক রয়েছে, তার কাছ থেকে এ ধরনের চিঠি আশা করিনি।
সংগঠনের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পর্কে জবাবে বলেন, উপরোক্ত ব্যাক্ষার আলোকে আশাকরি সকল ভুল বুঝাবুঝির অবসান হবে এবং কথিত অভিযোগ থেকে আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। আমি দলীয় নেতৃত্বের প্রতি সর্বদাই শ্রদ্ধা পোষণ করি। উল্লেখ্য, গত পহেলা জুন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতীক স্বাক্ষরিত একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলীকে। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশে জবাব দেওয়ার জন্য সাত দিন সময় দেওয়া হয়েছে। ৫দিনের মধ্যেই তিনি এর জবাব দিলেন।
ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত সাংগঠনিক কর্মকান্ডে নিস্ক্রিয় রয়েছি যা মোটেও সঠিক নয়। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দলীয় সব ধরনের প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করেছি এবং সর্বশেষ দলীয় কর্মীসভা ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল সোনারবাংলা বঙ্গবীরের বাসভবনে উপস্থিত ছিলাম। এরপর দুই বছর কোভিড-১৯ এর কারণে কোন প্রোগ্রামে দাওয়াত পাই নাই। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে কালিহাতী উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি লুতফর রহমান আমাকে ইফতারের দাওয়াত দিলে অসুস্থতার কারণে আমি উপস্থিত থাকতে না পারলেও অবহিত করে বিকাশে ০২ হাজার টাকা পাঠিয়ে পরোক্ষ ভাবে অংশগ্রহন করি। তিনি আরো বলেন, আমি বিভিন্ন সংগঠন বিশেষ করে বিএনপির কোন সমাবেশে অংশগ্রহন করি নাই। তবে আমি একজন ঐক্যফ্রন্টের নমিনী হিসেবে দল থেকে নমিনেশন প্রাপ্ত হইয়া বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকে কালিহাতী-৪ আসন থেকে নির্বাচন করি। উক্ত নির্বাচনে বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের সকল দল সক্রীয়ভাবে সহযোগিতা করার কারণে প্রতিকুল অবস্থার মধ্যেও প্রায় ৩৬ হাজার ভোট প্রাপ্ত হই। ঐক্যফ্রন্টের নমিনী হিসেবে উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতৃবৃন্দ ( বিদ্রোহী গ্রুপ) এর উদ্যেগে ইফতার মাহফিলে ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে অংশগ্রহন করি। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ গ্রহণ করে থাকে। কারণ এতে কোন রাজনৈতিক বিষয় থাকেনা। তাই আমি কোন ভুল করিনী। বর্তমান উপজেলা বিএনপির সাথে সাংগঠনিক বা দলীয় কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করি নাই এবং এর কোন প্রমাণ বা ভিত্তি নেই। সংগঠনের জন্য বিব্রতকর বা অশোভনীয় কোন কাজ করি নাই এবং সবার সাথে আমার সু-সম্পর্ক রয়েছে, তার কাছ থেকে এ ধরনের চিঠি আশা করিনি।
সংগঠনের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পর্কে জবাবে বলেন, উপরোক্ত ব্যাক্ষার আলোকে আশাকরি সকল ভুল বুঝাবুঝির অবসান হবে এবং কথিত অভিযোগ থেকে আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। আমি দলীয় নেতৃত্বের প্রতি সর্বদাই শ্রদ্ধা পোষণ করি। উল্লেখ্য, গত পহেলা জুন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতীক স্বাক্ষরিত একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলীকে। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশে জবাব দেওয়ার জন্য সাত দিন সময় দেওয়া হয়েছে। ৫দিনের মধ্যেই তিনি এর জবাব দিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন / ০৬ জুন ,২০২২/ মওম
- Advertisement -

