1:34 pm |আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ২৬শে মে ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম:
সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন দিতে সরকারকে ৬ দিনের সময় দিলেন ইমরান খান না ফেরার দেশে চলে গেলেন সত্যাশ্রয়ী মুক্তবুদ্ধি চর্চার অগ্রপথিক সেলিম বাগেরহাটে ট্রলির ধাক্কায় ২ জন নিহত লক্ষ্মীপুরে চাঁদাবাজির মামলা করায় প্রবাসীর বাড়ির  প্রাচীর ও ঘর ভাঙচুর, হুমকির অভিযোগ ক্রেতার অভাবে বিপুল পরিমাণ তেল নিয়ে সাগরে ভাসছে রাশিয়ার জাহাজ ফটিকছড়িতে ৭৮টি চোরাই মোবাইল ও কার সহ দুই যুবক গ্রেপ্তার  কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মা ও শিশুকে হত্যার ঘটনায় ২ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব সাভারে জন্মদিনের কথা বলে বন্ধুদের নিয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ ঘিওরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সমুদ্রে ট্রলার ডুবি, ১০ ঘণ্টা পর ১৫ জেলে জীবিত উদ্ধার




বিবাদীকে মারার হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

বিবাদীকে মারার হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে




মামুন হাসান

কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় জামিনে থাকা এক বিবাদীকে হাজতে আটকে রেখে এবং জেলের ভয় দেখিয়ে চাল লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুরাদনগর থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম মুরাদনগর থানার এসআই সমীর ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তিনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী মুরাদনগর উপজেলার কামাল্লা গ্রামের আয়েশা আক্তার আদালতে একটি মামলা করেছিলেন। ওই মামলায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি আদালত থেকে জামিন পান। তবে ওইদিন বিকেলে মুরাদনগর থানার এসআই সমীর ভট্টাচার্য্যের নেতৃত্বে একদল পুলিশ রি-কল থাকা সত্বেও জহিরুল ইসলামকে ধরে এনে থানার হাজতে আটকে রাখে। রাতেই বিষয়টি মীমাংসার শর্তে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছাড়িয়ে নেয় স্থানীয়রা। ওই ঘটনার পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি জহিরুল ও স্ত্রীর বিষয়টি মীমাংসার জন্য এসআই সমীর থানার গোলঘরে সালিশ করেন। সালিশে তিন দিনের মধ্যে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং ১৫ দিনের মধ্যে আরো ৩ লক্ষ টাকা পরিশোধ করার জন্য নির্দেশ দেন এসআই সমির। সময়মতো টাকা পরিশোধ না করলে বিভিন্ন মামলা দিয়ে তাকে আজীবন জেলে পচিয়ে মারার হুমকিও দেন। পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি ১ লাখ ৫০হাজার টাকা পরিশোধ করেন জহিরুল। বাকী ৩ লাখ টাকা এলাকার গন্যমান্যদের উপস্থিতিতে ৮ মার্চ এসআই সমীরের হাতে তুলে দেন। কামাল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য আনোয়ারা বেগম বলেন, আদালত থেকে জামিনে আসার পর পুলিশ কর্তৃক হয়রানী ও জেলের ভয় দেখিয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকায় মিমাংসা করার ঘটনাটি সঠিক। এ বিষয়ে কামাল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল বাশার খাঁন বলেন, জরিমানার ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সমীর ভট্টাচার্য্যের কাছে জমা রাখা হয়েছে। মামলা তুলে এসে বাদী আয়েশা আক্তার এসআই সমীর ভট্টাচার্য্যের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কথা ছিল। জহিরুল ইসলামের কাছে শুনেছি এখনো আয়েশা আক্তার মামলা তুলে নেন নাই। এসআই সমীর ভট্টাচার্য্যে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। অভিযুক্ত এসআই সমীর ভট্টাচার্য্য সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সালিশ বৈঠক করেছে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিরা। আমি পাশে বসা ছিলাম মাত্র। এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাশিম বলেন, এসআই সমীর ভট্টাচার্য্যের বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি করা হয়েছে সেটি সঠিক নয়। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি নিষ্পত্তি করেছেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/ দ ম দ

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান