9:15 am |আজ সোমবার, ৯ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ২৩শে মে ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরি




পাটুরিয়া ঘাটে নির্ধারিত সময়ের পরও সরকারি জমি দখল করে চলছে অবৈধ বালু ব্যবসা

পাটুরিয়া ঘাটে নির্ধারিত সময়ের পরও সরকারি জমি দখল করে চলছে অবৈধ বালু ব্যবসা




ইমরান নাজির, শিবালয় (মানিকগঞ্জ):

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ফেরিঘাটে বিআইডব্লিউটিএ’র ১ ও ২ নং ফেরিঘাট এবং ফোরশোর ভূমিসহ সরকারি জমি দখল করে চলছে অবৈধ বালু ব্যবসা।

দিনের বেলায় বন্ধ থাকলেও রাতের অন্ধকারে থেমে নেই অবৈধ বালুর রমরমা ব্যবসা। ঘাটের তিনটি স্পটে একাধিক ভেকু ও ড্রেজার মেশিন বসিয়ে মাটি-বালি কাটা হচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুমে ফেরিঘাট এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এছাড়া, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ২০১০-এর ধারা (গ) ও (ছ) লঙ্ঘন করায় ধারা ১৫(১) এর অধীনে পাঁচজনকে সর্বমোট ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ পাঁচজনকে অনাদায়ে  দু’মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)। একই সঙ্গে সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে ১৫ দিনের সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বেধে দেয়া সময়ের দু’মাস পার হয়ে গেলেও এখনো দখলমুক্ত হয়নি বালু ব্যবসায়ীদেরে দখলে থাকা সরকারি জমি। এসব অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন বার বার অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেও অজানা কারণে বন্ধ হয়নি অবৈধ বালু ব্যবসা। জরিমানার টাকা উশুল করতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে আরো মরিয়া হয়ে উঠেছে চক্রটি। জানা গেছে, পাটুরিয়া ফেরিঘাটে অবৈধভাবে এসব বালু ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে শিবালয় উপজেলা শ্রমিকলীগ নেতা মো: জসিম খান, স্থানীয় প্রধান শিক্ষক মোনতাজ উদ্দিন, মো. মানিক, মিন্টু মিয়া, মিলন কাজী, আরিফ কাজী ও লুৎফর রহমানসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এছাড়াও আরও সরকারি জমি দখল করে বালু ব্যবসা করছেন সিরাজুল ইসলাম, আসাদ, সাইদুর রহমান, মিলন কাজী, আরিফ কাজী, লুৎফর রহমান, রাসেল মোল্লা, সুজন মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মুক্তার, আশিক কাজী, মো. রনি খান, মো. মোশাররফ হোসেন মো. মিল্টন মিয়াসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বালু ব্যবসায়ী জসিম খানের সাথে মুটোফোনে (০১৭১৮৫৬৪৪৭৩ নম্বরে) বারবার যোগাযোগের চেষ্ঠা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের বিআইডব্লিউটিএ’র আরিচা শাখার সহকারি পরিচালক ও বন্দর কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলম জানান- সরকারি জমি দখলমুক্তর ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। কারণ আমি ঐ সময় ছিলাম না। অবৈধভাবে জায়গা দখল করা বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আসন্ন ঈদের পরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবালয়ের উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল ইসলাম বলেন, যারা নদীতীর থেকে অবৈধভাবে মাটি-বালি কাটছে তাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জেল জরিমানা করা হয়েছে। তালিকা পেলে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই আবার আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২০ এপ্রিল-২০২২/এসএএইচ

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান