আজ মঙ্গলবার, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৫ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাকলিয়ায় বিদ্যুৎ সেবার নামে চলছে সন্ত্রাসী তাণ্ডব

আরো খবর

 মোহাম্মদ জুবাইর
বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের দুর্নীতি পেশাগত কর্মের আড়ালে কর্মকর্তা, কর্মচারি ও লাইনম্যান যখন ভূমিদস্যু চক্রের সদস্য চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া বিদ্যুৎ অফিসের কতিপয় কর্মকর্তাসহ মিটার রিডার সরোয়ার, লাইনম্যান মিজান, রমজার আলী, (এস.বি.এস.) লাইনম্যান হারুন, ভূমিদস্যু চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীবিদ্যুৎ গ্রাহক। চাকরির মুখোশে উক্ত বিদ্যুৎ এর কর্মচারি, লাইনম্যানচক্রটি পেশাগত দায়িত্বের আড়ালে এখন স্থানীয় ভূমিদস্যু চক্রের সক্রিয়
তাহাদরে পারিবারিক বসবাসরত বসত-ভিটার একটি অংশ ভিকটিম বিগত ০১/০১/২০১৩ ইং তারিখে একজন রিক্সা চালক জনৈক সেলিমকে ব্যাটারীচালিত টম টম রিক্সার গ্যারেজের জন্য ভাড়ায় লাগিয়ত করেন। এবং অত্র রিক্সার গ্যারজে ব্যাবহারের জন্য নং- ১০৩৫৭৭৫১ এর আলমগীর নূর নামীয় একটি বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ সৃজন করেন। যা, পরবর্তীতে ডিজিটাল প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারে রূপান্তর হয়। উক্ত ভাড়াটিয়া সেলিম ১ মাসের বাড়া পরিশোধ করে পরবর্তী মাস থেকে আর ভাড়া পরিশোধ করছিলো না। দিচ্ছে দিবে মর্মে ভিকটিমকে ঘুরাতে লাগলো। এক পর্যায়ে ভিকটিম আলমগীর নূর জানিতে পারে উক্ত বাড়াটিয়া সেলিম একজন পেশাদার মাদক কারবরী এবং স্থানীয় চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও পেশাদার ছিনতাইকারী এবং মাদক কারবারী সালাউদ্দিনের সেকেন্ড ইন কমান্ড।  এই মাদককারবারী  সালাউদ্দিন ২০০১ সালেসিএমপির তালিকাভূক্ত ছিনকাইকারী  মামলায় সাজাভোগকারী একজন আসামী হয়(ছিনতাই মামলা নাম্বার-বাকলিয়া ২৭(৯)২০০০।  তপশিলোক্ত গ্যারেজ ও বসত-ভিটারমালিক ভিকটিম আলমগীর নূর উক্ত বিষয়গুলো জানিতে পারিয়া ভাড়াটিয়া সেলিমকে গ্যারেজ ছাড়িয়া দিতে নির্দেশা দেন তৎকালীন সময়ে। এই সূত্র ধরে ভাড়াটিয়া সেলিন ও সালাউদ্দিন চক্রটির সাথে গ্যারেজ ও বসত-ভিটার মূল মালিক সাংবাদিক আলমগীর নূর এর সাংঘর্ষি বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধের জেরে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা মেজিষ্ট্রেট আদালত, চট্টগ্রামে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা নং-ম
১৪৮৮/১৩ দায়ের করেন গ্যারেজের মালিক ভিকটিম আলমগীর নূর।  এমন
পরিস্থিতিতে, ভূমিদস্যুদের পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক উক্ত গ্যারেজ ও বসত-ভিটা দখল করার কুমানসে উক্ত মাদক কারবারী সেলিম প্রকাষ বোমা সেলিম স্থানীয় চিনতাইকারী, ভূমিদস্যু মাদককারবারী সালাউদ্দিনসহ বাকলিয়া বিদ্যুৎ অফিসের উক্ত চক্রটির পরষ্পর অনৈতিক যোগসাজসে সকল সত্য গোপন করেমিথ্যা তথ্য দিয়ে মূল মালিকের অগোচরে তৎকালীন সময়ে সচল সংযুক্ত আলমগীর নূর নামীয় নং- ১০৩৫৭৭৫১ এর বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বাউন্ডারীর বাহিরে মিটারটি ছুড়ে ফেলে দিয়ে সালাউদ্দিনকে মিথ্যা  মালিক সাজিয়ে পূর্ব মিটারের স্থলে অবৈধভাবে আরেকটি বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ সৃজন করে বিকিটিমের উক্ত গ্যারেজ ও বসত-ভিটা জবর দখল করার অপচেষ্টা করিতেছে মর্মে ভিকটিমের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়। অধিকন্তু, উক্ত ভূমিদস্যু সালাউদ্দিনসহ পুরো চক্রটি উক্ত গ্যারেজ দখল করার কু-মানসে বিগত ০২/০৩/২০২০ ইং তারিখে আলমগীর নূর নামীয় ১০৩৫৭৭৫১ এর বিদ্যুৎ মিটারটি চুরি করে নিয়ে যায়। মিটার চুরি হওয়ার বিষয়ে –যথাক্রমে ভূমিদস্যু সোহেল, সালাউদ্দিন, ভাঙ্গারী বাবুল, ভাড়াটিয়া সেলিম, মিটার রিডার সরোয়ার, লাইনম্যান মিজান, রমজার আলী, (এস.বি.এস.) লাইনম্যান হারুনসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামী করে বিগত ০২/০৩/২০২০ ইং তারিখে বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন আদালত, চট্টগ্রামে সাধারণ ডায়েরীও  করেছেন ভিকটিম । বিদ্যুৎ বিতরণ দক্ষিণ জোনের প্রধান প্রকৌশলী বরাবরে লিখিত অভিযোগে সাংবাদিক আলমগীর নূর অবিলম্বে ভূমিদস্যু,ছিনতাইকারী ও মাদককারবারী সালাউদ্দিনের নামে অবৈধভাবে সৃজনকৃত বিদ্যুৎমিটিার ও সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করে অবৈধ বিদ্যুৎ মিটার সৃজনের সাথে জড়িত জালজালিয়তি চক্রের সংশ্লিষ্ট অপরাধিদের বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক আলমগীর নূর নামীয়  ১০৩৫৭৭৫১
এর বিদ্যুৎ মিটার ও সংযোগ প্রতিস্থাপন করার জোর দাবী জানিয়েছেন। অন্যতাই, উক্ত জালজালিয়তি ও অপরাধি চক্রের সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ফৌজদারী মামলা রুজু করার হুশিরার করছেন অবিযোগকারী ভিকটিম ও জায়গার মালিক।  উক্ত বিষয়ে  অবগতি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগের অনুলিপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানিত উপদেষ্টা, পাওয়ার ডিভিশন ভবন, চেয়ারম্যান-দুর্নীতি দমন কমিশন, পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন-চট্টগ্রাম, চেয়ারম্যান-বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলাপমেন্ট বোর্ড-মতিঝিল, প্রধান পরিদর্শক ও  উপদেষ্টা (বিদ্যুৎ) এর কার্যালয়,  তোপখানা রোড, ঢাকায় প্রেরণ করেছেন ভিকটিম।
আলোকিত প্রতিদিন/ ০২ এপ্রিল, ২০২২/ মওম
- Advertisement -
- Advertisement -