আজ মঙ্গলবার, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ।   ৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ডিমলায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে  সংঘর্ষ,আহত ১৫

আরো খবর

প্রতিনিধি,নীলফামারী:
নীলফামারীর ডিমলায় চতুর্থ ধাপে ২৬ ডিসেম্বরের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের(নৌকা) মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর(মোটরসাইকেল) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫জন আহত হয়েছেন। বুধবার(১৫ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের নাউতারা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে নাউতারা ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান,উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোশাররফ হোসেন মিন্টু সোনামনির ডাঙা থেকে নির্বাচনী প্রচার মিছিল নিয়ে নাউতারা বাজার এলাকায় তার নির্বাচনী অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় নৌকার প্রার্থী সাইফুল ইসলাম লেলিনের নির্বাচনী অফিস অতিক্রমকালে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, পাল্টাপাল্টি ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
এ সময় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মিন্টুসহ আহত হন উভয় পক্ষের অন্তত ১৫জন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ডিমলা  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।অবস্থার অবনতি হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক মোক্তার আলী(৩০), নৌকা সমর্থক আমু ইসলাম(৩০) ও নুরুল হককে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন মিন্টু নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে  শুরু থেকে আমার নানা কাজে বাধা সৃষ্টি করছেন। রাতের হামলা মিন্টুর পূর্বপরিকল্পিত। তিনি আমার ওপর হামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমাকে না পেয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে  আমার লোকজনকে মারধর করে আওয়ামী লীগের অফিস ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করেছে।হামলায় আমার ছয়-সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন মিন্টু বলেন, লেলিনের জনপ্রিয়তা নেই। তিনি নির্বাচনে হেরে যাবেন, তাই ভোটের আগে আমাকে নিয়ে ইচ্ছামতো অভিযোগ দিচ্ছেন।আমার শান্তিপূর্ণ প্রচার মিছিলে লেলিনের কর্মী-সমর্থকরা আমাদের ওপর হামলা করেছে। এতে আমিসহ আমার বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।তাঁরা নিজেই অফিস ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম বলেন,নাউতারা ইউপিতে রাতে হামলার ঘটনা শুনেই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক।এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৬ ডিসেম্বর ২০২১/ আর এম
- Advertisement -
- Advertisement -