8:06 pm |আজ শনিবার, ১২ই অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৭শে নভেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম:




জাজিরার আলোচিত ধর্ষণ মামলার রায় : ধর্ষকের যাবৎ জীবন কারাদণ্ড

জাজিরার আলোচিত ধর্ষণ মামলার রায় : ধর্ষকের যাবৎ জীবন কারাদণ্ড




প্রতিনিধি,শরিয়তপুর

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য কলেজছাত্রীকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণের মামলায় জাজিরা পৌরসভার সাবেক মেয়র ইউনুছ ব্যাপারীর ছেলে মাসুদ ব্যাপারীকে (৩১) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।বুধবার (২৪ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুস সালাম খান এ রায় দেন।একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। এ সময় আদালতের এজলাসে আসামি উপস্থিত ছিলেন।বাদীপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান রোকন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি মাসুদ ব্যাপারী জাজিরা পৌরসভার সাবেক মেয়র ইউনুছ ব্যাপারীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে এক কলেজছাত্রীকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণের অভিযোগে  ২০১৯ সালের ৩০ জুন জাজিরা থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রী।আদালত সূত্র জানায়, ওই মামলায় ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাসুদ ব্যাপারী ও শরীফ সরদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। আদালত ১০ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করেন। ১৩ জন সাক্ষী এবং ৮ জন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আজ বিচারক মাসুদ ব্যাপারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন এবং একই সঙ্গে শরীফ সরদারকে বেকসুর খালাস দেন।মামলার এজাহারে বলা হয়,  ২০১৯ সালের ২৯ জুন রাতে মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হন। ওই দিন বিকেলে মাসুদ তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য কলেজছাত্রীকে বাড়িতে আসতে বলেন। ওই মেয়ে কাজ শেষ করে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাসুদের বাড়িতে যান। সেখানে মাসুদের পরিবারের কাউকে না দেখে ওই ছাত্রী ফিরে আসার চেষ্টা করেন। তখন মাসুদ তাকে ঘরে আটকে ধর্ষণ করেন। পরে মেয়েটিকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করা হয়।মেয়েটি মাসুদের বাড়ি থেকে বের হয়ে চিৎকার করলে ওই মহল্লার কয়েকজন নারী তাকে উদ্ধার করেন। পরের দিন জাজিরা থানায় মাসুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন ওই ছাত্রী। ১ জুলাই আদালতের মাধ্যমে মাসুদ ব্যাপারীকে শরীয়তপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা বলেন, শরীফ সরদারকে বেকসুর খালাস দিয়েছে ও মাসুদ ব্যাপারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন, এতে আমি খুশি হতে পারিনি। আমি তাদের ফাঁসি চাই।এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান (নজরুল) বলেন, আসামিপক্ষ সংশ্লিষ্ট মামলার রায়ে সংক্ষুব্ধ ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। রায়ের বিপক্ষে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

আতারা // এপি

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান