9:16 pm |আজ শনিবার, ১২ই অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৭শে নভেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি




ঈদগড়ে  মানুষ-হাতি সংঘাত নিরসন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে  সভা অনুষ্ঠিত

ঈদগড়ে  মানুষ-হাতি সংঘাত নিরসন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে  সভা অনুষ্ঠিত




 আবু সায়েম

কক্সবাজার  উত্তর   বন বিভাগের আওতাধীন  ঈদগড়   রেঞ্জের উদ্যোগে  কক্সবাজার  উত্তর  বন বিভাগের  সহযোগিতায় ২৩ নভেম্বর   (মঙ্গলবার) “বন্যপ্রাণী প্রকৃতির অংশ,আমরা প্রকৃতিকে বাঁচাবো আগামী প্রজন্মের জন্য “এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে   “মানুষ  – হাতি সংঘাত” নিরসন    শীর্ষক  বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ,সামুদ্রিক জীববৈচিত্র এবং বনজসম্পদ রক্ষাকল্পে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত । কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সরকারের নির্দেশে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ইদগড় রেঞ্জ কার্যালয়ে জনসচেতনতামূলক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঈদগড়  রেঞ্জের দেড়শতাধিক নারী-পুরুষ,স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ, বনবিভাগের ফরেস্টার,বিটকর্মকর্তা  হ্যাডম্যানসহ  ভিলেজারগণ উপস্থিত ছিলেন। জনসচেতনতামূলক  সভায় বক্তারা “বন্যপ্রাণী প্রকৃতির অংশ, আমরা প্রকৃতিকে বাঁচাবো আগামী প্রজন্মের জন্য  “এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে মানুষ  হাতি সংঘাত নিরসন এবং বন্যপ্রাণী  সংরক্ষণে  এলাকাবাসীকে এগিয়ে  আসার  আহ্বান করেন। সভায় সভাপতির বক্তব্যে ঈদগড় রেঞ্জ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান   বলেন,  বন্যপ্রাণী  ও বন্যহাতি সংরক্ষণ  আমাদের  নৈতিক দায়িত্ব । নির্বিচারে বন্য প্রাণী  হত্যা, ধরা এবং শিকার করা যাবে না ।বন্যহাতিদের  আঘাত করে   নিধন  করলে প্রকৃতির ভারসাম্যে বিরাট প্রভাব  ফেলবে। তিনি আরও বলেন,  সামাজিকভাবে  সচেতন হয়ে আমাদের  মানুষ  ও হাতি সংঘাত নিরসন করে বন্যপ্রাণী ও হাতিদের বাঁচাতে এগিয়ে  এসে বনসম্পদ রক্ষার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। বন্যহাতি লোকালয়ে চলে আসলে তিনি বনবিভাগকে অবগত করার অনুরোধ  জানিয়ে বলেন,  তবু যেন হাতিকে আক্রমণ  করা না হয়। বন্যহাতি কর্তৃক কারো প্রাণহানি ঘটলে অথবা  কারো ফসল নষ্ট হলে  বন বিভাগের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা আছে বলেও জানান তিনি।

আতারা // এপি

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান