প্রতিনিধি, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ):
শ্রীনগর উপজেলার সদরে ব্যস্ততম একটি পাকা সড়ক ছিদ্র করে ড্রেজার বাণিজ্য করছেন এক ইউপি সদস্য। উপজেলার সদর ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ মো. হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে এই রাস্তা ছিদ্র করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ঝুমুর সিনেমা হল রোডের রানী জেনারেল হাসপাতালের সামনে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির নিচ দিয়ে বোরিং করে ড্রেজার পাইপ লাইনটি নেওয়া হয়েছে। এতে রাস্তাটি দেবে ও ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শ্রীনগর উপজেলার সদরে ব্যস্ততম একটি পাকা সড়ক ছিদ্র করে ড্রেজার বাণিজ্য করছেন এক ইউপি সদস্য। উপজেলার সদর ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ মো. হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে এই রাস্তা ছিদ্র করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ঝুমুর সিনেমা হল রোডের রানী জেনারেল হাসপাতালের সামনে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির নিচ দিয়ে বোরিং করে ড্রেজার পাইপ লাইনটি নেওয়া হয়েছে। এতে রাস্তাটি দেবে ও ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঝুমুর সিনেমা হল রোডের রানী জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন পূর্ব পশ্চিম দিকে পাকা সড়কটির সামন্য নিচে ছিদ্র করে অবৈধভাবে ড্রেজারের পাইপ লাইন নেয়া হয়েছে। সড়কের পাশেই শ্রীনগর-গোয়ালীমান্দ্রা খালে একটি ড্রেজার ষ্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। জানা গেছে, রাতের আঁধারে এখানে বাল্কহেড থেকে বালু ড্রেজারের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হচ্ছে। ছাড়পত্র বিহীন ড্রেজারের বিকট শব্দে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি স্থানীয় বসবাসকারীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় সপ্তাহ ধরে স্থানীয় মেম্বারের সহযোগিতায় ড্রেজারটি এখানে চলছে। এর আগে হঠাৎ করে রাস্তাটি ছিদ্র করে ড্রেজারের পাইপ লাইনটি নিতে দেখন তারা। বেশীর ভাগ রাতেই এখানে বাল্কহেড থেকে বালু উত্তোলণ করা হচ্ছে। ড্রেজারের বিকট শব্দে স্থানীয় বসতবাড়িতে বসবাসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। মানুষের জনগণের দুর্ভোগের সৃষ্টি করে একজন জনপ্রতিনিধি এ ধরণের কাজকর্মে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, শ্রীনগর সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ মো. হুমায়ুন দীর্ঘদিন যাবত মাটি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ওই এলাকার পোদ্দার পাড়া বসতবাড়ির ওপর দিয়ে ড্রেজারের পাইপ লাইনটি নেন স্থানীয় ইউপি সদস্য।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ মো. হুমায়ুনের কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুই বছর আগেই এখান দিয়ে আমার লাইনটি করা। রাস্তা ছিদ্র করে ড্রেজার পাইপ লাইন নেওয়ার কোনো পারমিশন আছে কি’না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার কোনো পারমিশন নেই। জনপ্রতিনিধি হয়ে রাস্তার ক্ষতি ও জণগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে অবৈধভাবে মাটি বাণিজ্য করা কতটা যুক্তিসঙ্গত জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাহলে কি করে খাব?
এ বিষয়ে শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণব কুমার ঘোষ জানান, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের (এলজিইডি) সাথে যোগাযোগ করুন।
এ ব্যাপারে শ্রীনগর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. রাজিউল্লাহ্ জানান, পারমিশন ছাড়া সড়ক ছিদ্র করা অসম্ভব। খোঁজ খবর নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৮ আগস্ট ২০২১/ দ ম দ
- Advertisement -

