আজ রবিবার, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১০ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

টাঙ্গাইলে গ্রাম্য রাস্তাকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর

আরো খবর

প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরে গ্রাম্য রাস্তাকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরে ঘটনা ঘটেছে।এ ঘটনায় দু’পক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেছে। যে কোন সময় সংঘর্ষের আশংকায় রয়েছে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের আমুলা গ্রামবাসীর মধ্যে। জানা যায়, আমুলা গ্রামের মৃত ইন্তাজ আলীর ছেলে আবু সাইদের (৫০) বসতভিটার পাশ দিয়ে পাঁচটি পরিবারের পায়ে হাটার রাস্তা রয়েছে। ওই রাস্তা প্রশস্ত করতে স্থানীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে গ্রামে একাধিকবার বৈঠক হয়। বৈঠকে সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় দু’পক্ষের মাঝে বিবাদের সৃষ্টি হয়। বিবাদকে কেন্দ্র করে একপক্ষ থানায় এবং অপরপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করে। তন্মধ্যে সম্প্রতি ওই এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আমজাদ সেনা একাডেমিতে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরে ঘটনা ঘটে। আর ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দোষারোপ শুরু করে। এতে উভয়পক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা চলছে। এ ঘটনায়, অলোয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম খান ও স্থানীয় মাতাব্বর শহিদুল ইসলামসহ অনেকেই জানান, রাস্তাটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ উভয় পক্ষের সাথে বিবাদ চলে আসছে। কিন্তু এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে
বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরের ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তদন্ত সাপেক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরকারীর শাস্তি দাবি করছি। তারা আরও বলেন,সাইদ মাষ্টার প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে। আখতার হোসেন জানান, আমি ঢাকায় বসবাস করি।ছোট থেকেই আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে বড় হয়েছি । বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। তবে রাস্তা নিয়ে আবু সাঈদের সাথে বাড়ির পাশের রাস্তা প্রসস্তের ব্যাপারে স্থানীয় মাধ্যমে কথাবার্তা চলছিল। আর এ বিষয়ের সাথে ছবি ভাঙচুরের কোন সম্পর্ক নেই। আমি ছবি ভাঙচুরকারীর শাস্তি দাবী করছি। আবু সাঈদ মাষ্টার জানান, ২০১৫ সালে আমার ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আমজাদ হোসেনের নামে একাডেমিক প্রতিষ্ঠান খুলি। আমার বাড়ির পাশের রাস্তাটি পায়ে হাটার জন্য প্রযোজ্য। প্রতিপক্ষ আখতার হোসেনরা রাস্তা প্রসস্তের দাবি জানালে আমি আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে জায়গা ছাড়তে অস্বীকার করি। এতে তারা ক্ষীপ্ত হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালায় এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করে। অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: রহিজ উদ্দিন জানান, রাস্তা নিয়ে বিবাদের বিষয়টি আমি জানি। ইতিপূর্বে কয়েক দফায় বৈঠক করে মীমাংসা করতে পারিনি। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরের বিষয়টি আমি শুনেছি। বিষয়টি অত্যন্ত দু:খজনক। এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৮ আগস্ট ২০২১/ আর এম

- Advertisement -
- Advertisement -