প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাংয়ের হাত থেকে অল্পের জন্য জীবন নিয়ে বেঁচে ফিরতে পারলেও গুরুতর জখম হয়েছে দুই শিক্ষার্থী। ইতোমধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সাব্বির কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া হেকিম সাহেবের খানকা মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত দুই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলো-যশোর ক্যান্টনমেন্ট বিএফ শাহিন কলেজের শিক্ষার্থী ও মুনজিতপুর এলাকার ইকবাল হোসেনের ছেলে রিয়াদ (১৭) এবং সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষার্থী সাজিদ (১৬)। সে দক্ষিণ কাটিয়া হুগলি বেকারী এলাকার শেখ শফিউল্লাহ ছেলে। তাদের গলায়, মাথায়, ঘাড়ে, পিঠে কুপিয়ে ও পিয়িয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। এঘটনায় আহত সাজিদের পিতা শেখ শফিউল্লাহ মনি বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতেই সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আহত সাজিদের বাবা শেখ শফিউল্লাহ বলেন, ছেলে আর আমি এক সাথে আছরের নামাজ পড়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চলে যায়। ছেলে স্কুলের বড় ভাই রিয়াদের ফোন পেয়ে রাস্তায় বের হই। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় খানকা মসজিদ এলাকায় ছেলের সহপাঠী সাব্বিরকে ৭ জন বখাটে ধরে মারধর করতে দেখে আমার ছেলে ও রিয়াদ ওই বখাটেদের বলে-ওকে মারছেন কেন। বলার সাথে সাথে চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি সেলাই রেঞ্জসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে কিশোর গ্যাংয়ের ৭সদস্য। মুনজিতপুর এলাকার মৃত জামালের ছেলে জয় (২০) কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। ওই সময় আরও উপস্থিত থেকে মারধর করে ইটাগাছা হাটের মোড় এলাকার আরিক (২২), রেজিস্ট্রি অফিস এলাকার সুমন (২০), একই এলাকার নয়ন (২১) (নয়ন রেজিস্ট্রি অফিস পাড়ার আলোচিত নিজাম হত্যা মামলার আসামী ও দুর্ধর্ষ শাহীনের ভাগ্নে)। শহরের সরকারপাড়া এলাকার বিষু ডাক্তারের ছেলে রাহুল (২২), মুনজিত এলাকার রিপনের ছেলে মৃদুল (২৩) ও কলেজ মোড় মোল্লা বাড়ি এলাকার সাব্বির। এসময় কুপিয়ে তাদের মারাত্মক জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, এঘটনায় মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ সাব্বির নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
সাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাংয়ের হাত থেকে অল্পের জন্য জীবন নিয়ে বেঁচে ফিরতে পারলেও গুরুতর জখম হয়েছে দুই শিক্ষার্থী। ইতোমধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সাব্বির কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া হেকিম সাহেবের খানকা মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত দুই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলো-যশোর ক্যান্টনমেন্ট বিএফ শাহিন কলেজের শিক্ষার্থী ও মুনজিতপুর এলাকার ইকবাল হোসেনের ছেলে রিয়াদ (১৭) এবং সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষার্থী সাজিদ (১৬)। সে দক্ষিণ কাটিয়া হুগলি বেকারী এলাকার শেখ শফিউল্লাহ ছেলে। তাদের গলায়, মাথায়, ঘাড়ে, পিঠে কুপিয়ে ও পিয়িয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। এঘটনায় আহত সাজিদের পিতা শেখ শফিউল্লাহ মনি বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতেই সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আহত সাজিদের বাবা শেখ শফিউল্লাহ বলেন, ছেলে আর আমি এক সাথে আছরের নামাজ পড়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চলে যায়। ছেলে স্কুলের বড় ভাই রিয়াদের ফোন পেয়ে রাস্তায় বের হই। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় খানকা মসজিদ এলাকায় ছেলের সহপাঠী সাব্বিরকে ৭ জন বখাটে ধরে মারধর করতে দেখে আমার ছেলে ও রিয়াদ ওই বখাটেদের বলে-ওকে মারছেন কেন। বলার সাথে সাথে চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি সেলাই রেঞ্জসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে কিশোর গ্যাংয়ের ৭সদস্য। মুনজিতপুর এলাকার মৃত জামালের ছেলে জয় (২০) কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। ওই সময় আরও উপস্থিত থেকে মারধর করে ইটাগাছা হাটের মোড় এলাকার আরিক (২২), রেজিস্ট্রি অফিস এলাকার সুমন (২০), একই এলাকার নয়ন (২১) (নয়ন রেজিস্ট্রি অফিস পাড়ার আলোচিত নিজাম হত্যা মামলার আসামী ও দুর্ধর্ষ শাহীনের ভাগ্নে)। শহরের সরকারপাড়া এলাকার বিষু ডাক্তারের ছেলে রাহুল (২২), মুনজিত এলাকার রিপনের ছেলে মৃদুল (২৩) ও কলেজ মোড় মোল্লা বাড়ি এলাকার সাব্বির। এসময় কুপিয়ে তাদের মারাত্মক জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, এঘটনায় মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ সাব্বির নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জুলাই ২০২১/ আর এম
- Advertisement -

